করিম সাহেবের পালন করা ইবাদতটি হলো সাওম, যার ধর্মীয় গুরুত্ব অপরিসীম।
সাওম অর্থ বিরত থাকা বা আত্মসংযম করা। রমজান মাসে নিয়তের সাথে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও নির্ধারিত কিছু কার্যাবলি থেকে বিরত থাকাকেই সাওম বলে। সাওম ইসলামের অন্যতম একটি ফরজ ইবাদত। এটি নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে পালন করতে হয়। যা করিম সাহেবের পালনকৃত ইবাদতেও পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত করিম সাহেব বছরের নির্দিষ্ট এক মাস দিনের বেলায় পানাহার ও সকল প্রকার নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকেন। তিনি মনে করেন, এতে তাকওয়া অর্জন করা যায়। তার এ কাজে ইসলামের অন্যতম ইবাদত সাওমের পরিচয় ফুটে উঠেছে। ইসলামের মূল অবকাঠামো যে পাঁচটি বুনিয়াদের ওপর প্রতিষ্ঠিত সাওম তার মধ্যে অন্যতম। সাওম মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ ও সফলতা লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাওম মানুষের ইহকালীন জীবনে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রভৃতি বৃদ্ধি করে। এ সম্পর্কে রাসুল (স) বলেন, 'আর এই মাস (রমজান) হলো সহানুভূতি ও মহমর্মিতার মাস।' (মিশকাত) তাছাড়া পরকালীন সফলতা লাভেও সাওমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাওমের প্রতিদান সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'নিশ্চয়ই সাওম আমার জন্য, আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেবো।' (বুখারি ও মুসলিম)
সুতরাং বলা যায়, সাওম পালন করায় করিম সাহেব ইহকালে ও পরকালে অশেষ কল্যাণ লাভ করবেন।