উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব ''আ' কর্তৃক পালিত ইবাদতটি হলো জাকাত।
জাকাত ইসলামের বুনিয়াদি পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম। এটি অর্থনৈতিক ইবাদত এবং ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূলভিত্তি। শোষণ ও বঞ্ছনাবিহীন সুষম অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যম হিসেবে জাকাতের ভূমিকা অতুলনীয়। বিশেষ করে সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণে জাকাত ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন অত্যন্ত কার্যকর পন্থা। মৌলিক অধিকার পূরণ এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে জাকাতের ভূমিকা অপরিসীম।
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'আ' প্রতিবছর হিসাব করে আন্তরিকভাবে জাকাত আদায় করেন। অপরদিকে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশিষ্ট আলেমের বক্তব্য অনুযায়ী তিনি সে সামাজিক বিষয়গুলোর ব্যাপারে কথা বলেছেন তা জাকাত আদায়ের মাধ্যমে সহজেই পূরণীয়। তবে সেক্ষেত্রে সমাজের সব ধনী লোকদেরকে নিয়ম মেনে জাকাত আদায় করতে হবে। জাকাতের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র শ্রেণির লোকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'জাকাত কেবল ফকির, মিসকিন, জাকাত আদায়কারী কর্মচারী ও যাদের মন আকর্ষণ প্রয়োজন তাদের হক। ' (সূরা আত তাওবা : ৬০) এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, জাকাত প্রদানে নির্দিষ্ট শ্রেণির লোক উপকৃত হয়, যারা মূলত দারিদ্র্যের শিকার। জাকাতের অর্থ পেলে তাদের অভাব-অনটন নির্মূল হয়।
সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারি, জাকাতের সামাজিক গুরুত্ব অনেক বেশি।