হাসান মৌলিক ইবাদত সাওমের কথা বলেছে।
সাওম একটি ফরজ ইবাদত। সাওম পালন না করলে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। অপরদিকে সাওম পালন করলে আল্লাহর রহমত লাভ সম্ভব হয়। তাছাড়া সাওম পালনকারীর ইবাদতে ও উপার্জনে আল্লাহ বরকত নাজিল করেন। ফলে সাওম পালনকারী বেহেশতে নিজের স্থায়ী আবাস গড়ে নেয়। হিজরির নবম মাসে সাওম শুরু হয়। সাওমের মাধ্যমে মানুষ কু-রিপু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যা হাসানের ইবাদতে প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে হাসান বলেন, হিজরির নবম মাসে একটি ইবাদতের মাধ্যমে মানুষ কু-রিপু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং সহযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে। যা সাওমকেই নির্দেশ করে। সাওম পালনে অনেক ফজিলত রয়েছে। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ সাওমের ফজিলত সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন— 'আল্লাহ আদম সন্তানের প্রতিটি আমলের প্রতিদান দশ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। আল্লহ বলেন, শুধু সাওম ব্যতীত। নিশ্চয়ই সাওম আমার জন্য আর আমিই এর প্রতিদান দেব।' (বুখারি ও মুসলিম) এই হাদিসটি থেকে সাওম পালনে আল্লাহর সন্তুষ্টির তাৎপর্য অনুধাবন করা যায়। এই ইবাদতটির জন্য আল্লাহ তায়ালা যেহেতু নিজেই প্রতিদান দেবেন, সেহেতু তা যে কত মহিমান্বিত ও মূল্যবান হবে তা আমাদের কল্পনাতেও আসবে না। তাছাড়া অন্য হাদিসে আছে, 'আর রমজান হলো ধৈর্যের মাস এবং ধৈর্যের বিনিময় হলো জান্নাত।' (মিশকাত) সুতরাং বলা যায়, সাওমের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই সবচেয়ে বড় পুরস্কার।