উদ্দীপকে বর্ণিত আরমান ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদাত সালাত আদায় করেছে।
সালাত ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা ফরজ। এছাড়া জুমআর নামায, ঈদের নামায, বিতরের নামায ও তারাবির নামায আদায় করাও আবশ্যক। সালাত মুমিনের পরিচায়ক। আল্লাহ তায়ালা এজন্য মুমিনদের বলেছেন, “তোমরা সালাত কয়েম কর এবং যাকাত দাও।” (সূরা বাকারা : ৪৩) তিনি আরও বলেছেন, “তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।” (সূরা বাকারা : ৪৩) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হলো জান্নাতের চাবি।” (মিশকাতুল সালাবিহ) তিনি আরও বলেছেন, “সালাত হলো মুমিনের জন্য মিরাজস্বরূপ।” (ইবনে মাজাহ) সালাত ত্যাগ করা কুফর। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন—
“সালাত
وَمَا مَنَعَهُمْ أَنْ تُقْبَلَ مِنْهُمْ نَفَقَاتُهُمْ إِلَّا أَنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَبِرَسُولِهِ وَلَا يَأْتُونَ الصَّلَاةَ إِلَّا وَهُمْ كُسَالَى وَلَا يُنْفِقُونَ إِلَّا وَهُمْ كَارِهُونَ .
অর্থাৎ, “তাদের অর্থ ব্যয় কবুল না হওয়ার এছাড়া কোনো কারণ নেই যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সাথে কুফরি করছে। আর তারা সালাতে অলসতার সাথে আসে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে অর্থ ব্যয় করে।” (সূরা তাওবা : ৫৪) মহানবি (সা.) আরও বলেন,
“মুমিন ও কাফিরের মধ্যে পার্থক্য হলো নামায ছেড়ে দেওয়া।” (ইবনে মাজাহ) শেষ বিচারের দিন সর্বপ্রথম হিসাব নেওয়া হবে সালাতের। এজন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মনোযোগসহ সালাত আদায় করে, কিয়ামতের দিন ওই সালাত তার জন্য নূর হবে।” (তাবারানি) উদ্দীপকের আরমান প্রতিদিন দুপুরে ক্লাসের বিরতিতে ইবাদাতগৃহে অন্যদের সাথে একটি ইবাদাত পালন করে। মূলত আরমান ইসলামের মৌলিক ইবাদাত সালাত আদায় করে ।