লোরার ঘটনায় নমনীয় মানটি ভূমিকা রেখেছে।
মান ব্যক্তির নিজস্বতা ও সমাজের দাবি থেকে সৃষ্টি হয়। মানের বেশকিছু শ্রেণিবিভাগ রয়েছে যার মধ্যে নমনীয় মান অন্যতম। এ মান মানুষকে স্বাধীনভাবে চলার এবং পছন্দ করার সুযোগ দান করে থাকে। লোরার ক্ষেত্রে এটিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। উদ্দীপকের লোরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'খ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৩য় স্থান অধিকার করেছে। তাই সে তার পছন্দসই বিষয়গুলো থেকে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তার বাবার ইচ্ছা ছিল যে, লোরা অর্থনীতি বিষয় নিয়ে পড়ুক। কিন্তু লোরা মনোবিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়তে চায়। পরিবারও তাদের ইচ্ছা লোরার ওপর চাপিয়ে না দিয়ে লোরার ইচ্ছাকে মেনে নিয়েই অনুমতি দিল। অর্থাৎ লোরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পেল। এটিই হলো নমনীয় মান। পরিস্থিতি এবং অবস্থা অনুযায়ী যে মান নির্ধারিত হয় সেটিই হলো নমনীয় মান। এ মানের ভিত্তিতে মানুষ স্বাধীনভাবে চলার এবং পছন্দ করার সুযোগ পেয়ে থাকে। উদ্দীপকের লোরা তার পছন্দসই বিষয় বেছে নিয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। এটি তার স্বাধীনভাবে পছন্দ করার দিকটিকেই উপস্থাপন করে, যা নমনীয় মানের অন্তর্ভুক্ত।
তাই বলা যায়, লোরার ঘটনায় নমনীয় মানটিই ভূমিকা রেখেছে।