জনাব মিজানের অনুসৃত বিষয় তথ্য তাসাউফের সাথে ইসলামি শরিয়াহর নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান।
ইসলামের প্রতিটি বিধানের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ দিক রয়েছে। বাহ্যিক দিক হলো শরিয়ত এবং অভ্যন্তরীণ দিক হলো তাসাউফ। ইসলাম মানুষের বাহ্যিক জীবনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যে বিধান দিয়েছে তা-ই শরিয়ত। অপরদিকে আত্মাকে নিষ্কলুষ রেখে সব অনৈতিক কাজ থেকে মুক্ত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকে তাসাউফ বলে। শরিয়ত ও তাসাউফ একটি অপরটির পরিপূরক, যা জনাব মিজানের কাজ থেকে বোঝা যায়।
জনাব মিজান সব প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ, কাম-ক্রোধ, লোভ-লালসা ও পাশবিকতা পরিহার করে নিষ্কলুষ জীবন যাপন করেন। তিনি মানবাত্মার সাথে পরমাত্মার নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করেন। দেহ ও রূহ যেমন একটি অপরটির পরিপূরক, তেমনি শরিয়ত ও তাসাউফ' পরস্পরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। কেবল শরিয়ত মেনে চললে যেমন তা গ্রহণযোগ্য হয় না, তেমনি শুধু তাসাউফের অনুসরণেও আত্মিক ও পারলৌকিক, সাফল্য লাভ সম্ভব নয়। এজন্য একই সাথে শরিয়ত ও তাসাউফের অনুসরণ অপরিহার্য। যেমন— শরিয়ত সালাতের নির্দেশ দেয়। কিন্তু সালাতের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তাসাউফের ওপর। এজন্যই শরিয়ত ছাড়া তাসাউফ এবং তাসাউফ ছাড়া শরিয়ত অর্থহীন।
পরিশেষে বলা যায়, শরিয়ত ছাড়া ইবাদত অসম্ভব, আবার তাসাউফ ছাড়া ইবাদত গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং শরিয়ত ও তাসাউফ পরস্পর নির্ভরশীল।