উদ্দীপকের সুফি হলেন খাজা বাহাউদ্দিন নকশবন্দি (র.)। তাঁর প্রতিষ্ঠিত তরিকার নির্দিষ্ট কিছু কার্যাবলি রয়েছে।
বাহাউদ্দিন নকশবন্দি (র.)- এর প্রতিষ্ঠিত তরিকাকে নকশবন্দি তরিকা বলা হয়। তাঁর প্রচেষ্টায় সমসাময়িক যুগে এ তরিকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। তিনি পূর্ণ আধ্যাত্মিকতা অর্জনের পর যেদিকেই তাকাতেন সেদিকেই আল্লাহ নকশ অঙ্কিত হয় বলে তার নামে প্রচলিত তরিকাকে নকশবন্দিয়া তরিকা বলা হয়। এ তরিকার অন্যতম কার্যাবলি হচ্ছে— ১. শরিয়তের সকল দিক যথাযথভাবে পালন করা। ২. শ্বাস-প্রশ্বাসে হুঁশিয়ারি তথা শ্বাস গ্রহণে 'লা ইলাহা' এবং শ্বাস ফেলার সময় 'ইল্লাল্লাহ' যিকর করা। ৩. ছয় লতিফা ও আনাসেরে আরবায়া (আব, আতশ, খাক, বাদ, নুর বা সাফা)-এর ভিন্ন ভিন্ন মোরাকাবা। ৪. এ মতবাদের সুফিগণ আহাদিয়াত, ওয়াহদাত ও ওয়াহেদিয়াত এ তিনটি স্তরে পরিভ্রমণ করেন। বর্তমানকালে তুরস্ক, পাকিস্তান, ভারত, চীন ও বাংলাদেশসহ প্রভৃতি দেশে এ তরিকা প্রচলিত আছে। এ তরিকায় নীরবে আল্লাহর যিকরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, বোখারাতে জন্মেছিলেন বিখ্যাত সুফি সাধক খাজা বাহাউদ্দিন নকশবন্দি (র.)। তিনি তাঁর নিজস্ব তরিকা প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাঁর অগণিত অনুসারী রয়েছে। এ তরিকার স্বতন্ত্র কিছু কার্যাবলিও শিক্ষা রয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, বাহাউদ্দিন নকশবন্দি (র.)-এর প্রতিষ্ঠিত নকশবন্দিয়া তরিকার উল্লিখিত স্বতন্ত্র কার্যাবলি রয়েছে।