উদ্দীপকের শায়খ আহমদ সিরহিন্দ (র.)-এর প্রচেষ্টায় সম্রাট জাহাঙ্গির ধর্মনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করেন।
রাজপরিবারের সদস্য মহব্বত খান ষড়যন্ত্র করে সম্রাট জাহাঙ্গিরকে বন্দি করে। অতঃপর শায়েখ আহমদের নির্দেশে মহব্বত খানের বন্দিত্ব থেকে মুক্তি লাভের পর সম্রাট জাহাঙ্গির প্রকৃত অর্থে শায়খ আহমদকে চিনতে পারেন এবং তাঁর সুমতির উদয় হয়। তিনি তওবা করেন এবং দ্বীন-ই-ইলাহিসহ ইসলাম বিরোধী সকল নীতিমালা বাতিল ঘোষণা করে তদস্থলে ইসলামি আইন চালু করেন। তিনি শায়খ আহমদের পরিকল্পনামাফিক ধর্মনীতিতে বেশকিছু সংস্কার আনেন । যেমন- ১. রাজদরবারে সম্মানসূচক সিজদা রীতি নিষিদ্ধ করা হয়। ২. মদ, জুয়া ও সুদ নিষিদ্ধ করা হয়। ৩. মুসলমানদেরকে গরু জবাই করার অনুমতি দেওয়া হয়। ৪. শাহি দরবারে জামায়াতের সাথে সালাত আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। ৫. সব ধরনের শিরক, বিদআত ও ইসলাম বিরোধী নীতির অবসান এবং প্রশাসন ও রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে ইসলামি আইন চালু করা হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সুফি শায়খ আহমদ সিরহিন্দ (র.)-এর প্রচেষ্টায় সম্রাট জাহাঙ্গির ধর্মনীতিতে উল্লিখিত পরিবর্তন সাধন করেন।