মানবীয় সমস্যা সমাধানে আল্লাহর কাছে তাসাউফভিত্তিক প্রার্থনা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
মানুষের জীবন নানা ধরনের মানবীয় সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অন্তরে লালন করতে হবে। বিশেষ করে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার মাধ্যমে সব প্রকার পাপাচার থেকে মুক্ত হতে পারলে আল্লাহর নৈকট্য লাভ সম্ভব এবং আল্লাহর অনুগ্রহে সব ধরনের সমস্যা থেকেই মুক্তি লাভ সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে তাসাউফের চর্চা মুসলমানদের মধ্যে না থাকায় তারা নানা সমস্যার জর্জরিত। অথচ আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমি তোমাদেরকে স্মরণ করব। (নিয়ামত বাড়িয়ে দেব) এবং তোমরা আমার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর আর কুফরি করো না" (সূরা বাকারা: ১৫২)। এ আয়াত থেকেই বোঝা যায়, তাসাউফের চর্চার মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহ কাছে মানবীয় সমস্যা সমাধানে প্রার্থনা করলে আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই তা কবুল করবেন। এক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র করণীয় হলো গভীর ধ্যানের মাধ্যমে আল্লাহকে আমাদের অন্তরে স্থান দেওয়া। আর তাহলেই যেকোনো সমস্যা এবং অন্যায়-অত্যাচার থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারব।
উদ্দীপক অনুসারে শাহ মাখদুম (র.) তার কিছু অনুসারী নিয়ে ধ্যানমগ্ন হয়ে ইবাদত করতেন। এভাবে তিনি নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে ইসলামকে অন্তরে ধারণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর এটিই। তাসাউফের মূলকথা।
পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় মুক্তি ও সামগ্রিক উন্নতির জন্য আজ তাসাউফের পুরোপুরি এবং প্রকৃত অনুশীলন এক বাস্তব প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।