আরিফের কর্মকান্ডে হযরত বড়পীর আবদুল কাদির জিলানি (র.)-এর বাল্যকালের জীবনালেখ্য ফুটে উঠেছে। তার জীবন ও কর্ম ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যময়।
হযরত আব্দুল কাদের জিলানি (র.) বিদ্যা অর্জনের জন্য একটি ব্যবসায়ী দলের সাথে বাগদাদ যাচ্ছিলেন তাঁর মা তাঁর জামার অস্তিনে। ৪০টি মোহর দিয়ে আস্তিনটি ভালো করে সেলাই করে দেন। পথিমধ্যে ব্যবসায়ী দলটি ডাকাত দ্বারা আক্রান্ত হয়। ডাকাতরা ব্যবসায়ীদের সব লুটে নেয়। ডাকাত সর্দার বালক আবদুল কাদির (র.)-কে জিজ্ঞেস করল তোমার কাছে কি আছে। তিনি অপকটে বললেন ৪০টি মোহর আছে। সে আবার জিজেস করল, সেগুলো কোথায়? তিনি জানালেন জামার অস্তিনে। ডাকাত দল তাঁর কথামত জামার অস্তিনে ৪০টি মহর খুঁজে পেল। তারা বালকের কথা ও কাজে বিস্মিত হলেন। কৌতূহল। ভরে ডাকাত সর্দার বলল, তুমি আমাদেরকে এ মোহরের কথা বললে কেন? আমরা তো এটা খুঁজে পেতাম না। তিনি বললেন, আমার মা আমাকে সত্য বলতে আদেশ করেছেন, তাই এটি করেছি। ডাকাতদের মাঝে ভাবান্তর হলো। তারা ভালো হয়ে গেল।
অনুরূপ ঘটনার দৃশ্যপট আমরা উদ্দীপকের দৃশ্যকল্পে দেখতে পাই, সুতরাং যা আরিফের কর্মকান্ডের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।
সুতরাং আমরা আরিফের কর্মকান্ডে হযরত বড়পীর আবদুল কাদির জিলানি (র.)-এর জীবনালেখ্যের চিত্রটি দেখতে পাই।