দৃশ্যকল্প-১ এ পিয়ার কর্মকাণ্ডে মানসিক ক্লান্তি পরিলক্ষিত হয়।মানসিক ক্লান্তির কেন্দ্রস্থল হলো মানুষের স্নায়ুতন্ত্র। শারীরিক ক্লান্তি ছাড়া হতাশা, একঘেঁয়েমি, মানসিক চাপে অবসন্নতা আসে। মন যখন অবসন্ন থাকে তখন কোনো কোনো কাজে ক্লান্তি আসে। ক্লান্তি কাজের পক্ষে ক্ষতিকর। মানসিক ক্লান্তিতে ব্যক্তির কাজ করার ক্ষমতা কমে না। কাজের স্পৃহা কমে যায়। মানসিক ক্লান্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- বিরক্তি উৎপাদক ক্লান্তি ও নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি। বিরক্তি উৎপাদক ক্লান্তিতে কাজের মান হ্রাস পায়। বিভিন্ন কারণে একঘেঁয়েমি আসতে পারে। যেমন- কাজের পরিবেশ, যন্ত্রপাতি, কাজে বিশৃঙ্খলা, কাজের চাপ বেশি থাকা ইত্যাদি। আর নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি ব্যক্তির নিজের কারণে হয়ে থাকে। কাজে অকৃতকার্যতা, অভিজ্ঞতার অভাব, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি কারণে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি আসতে পারে। এর ফলে কাজ করার ক্ষমতা থাকলেও কাজের প্রতি ইচ্ছা থাকে না। দৃশ্যকল্প-১ 'এ পিয়া দূরত্বের কারণে বাসে চড়ে যাতায়াত করে। প্রতিদিন সে পরিশ্রান্ত হয়ে বাসায় ফেরে এবং প্রতিদিনের পড়া শেষ না করেই ঘুমিয়ে যায়। সুতরাং পিয়ার এরূপ কর্মকাণ্ডে বোঝা যায়, সে মানসিক ক্লান্তিতে ভুগছে।