উদ্দীপকে উল্লিখিত সাবিনা নৈরাশ্যজনিত মানসিক ক্লান্তিতে ভুগছে।
নৈরাশ্য ও হতাশা থেকে যে মানসিক ক্লান্তির সৃষ্টি হয় তাই নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি। নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জন্য হয়ে থাকে। কাজে অকৃতকার্য, অভিজ্ঞতার অভাব, কাজে প্রশংসা অর্জন করতে না পারলে, দুশ্চিন্তা করলে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি আসতে পারে। ফলে কাজে বিশৃঙ্খলা ও গোলমাল দেখা দেয়, যা মানসিক ক্লান্তি সৃষ্টি করে। মেধাবী ছাত্রী সাবিনা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া সত্ত্বেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। যার কারণে সে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। ভর্তির পর সে লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। লেখাপড়ায় অনিয়মিত হওয়ার কারণ হলো তার মধ্যে নৈরাজ্যজনিত মানসিক ক্লান্তি। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে তার মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। এ হতাশাই তার মধ্যে নৈরাশ্যজনিত মানসিক ক্লান্তি সৃষ্টি করেছে।