ফখরুল সাহেব হতাশাগ্রস্ত হয়ে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তির শিকার হয়েছেন। নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জন্য হয়ে থাকে। কাজে অকৃতকার্যতা, অভিজ্ঞতার অভাব, কাজে প্রশংসা অর্জন করতে না পারা, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি কারণে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি আসতে পারে। ফখরুল সাহেবের মধ্যে কাজে অকৃতকার্যতার ফলে হতাশা তৈরি হয়েছে এবং নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তিতে ভোগার কারণে অনেক চেষ্টা করেও তিনি কাজে অগ্রসর হতে পারছেন না। তার এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তাকে নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবে-১. কাজে বৈচিত্র্য ও প্রফুল্লতা আনতে হবে।২. সমমনা লোকজনকে একত্রে মিলে কাজ করতে হবে।৩. কাজের সময় পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, উপযুক্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, উপযুক্ত স্থান, গান শোনা, হালকা গল্প বা কথাবার্তা ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকতে হবে। অর্থাৎ, কাজে অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।৪. নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তির ক্ষেত্রে অকৃতকার্য ব্যক্তিকে উপদেশ দিয়ে, কাজের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে, সরাসরি কাজের সমালোচনা না করে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি হ্রাস করা যায়। তবে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি হ্রাস করতে হলে সবার সচেতনতা প্রয়োজন।সুতরাং বলা যায়, ক্লান্তি হ্রাস করতে হলে ফখরুল সাহেবসহ তার আশপাশের সবাইকে সচেতন হতে হবে। তাই সঠিক সময়ে সঠিক কাজ পেতে হলে এবং কাজে সফলতা অর্জন করতে হলে সব ধরনের ক্লান্তি দূর করা আবশ্যক।