শেয়ারFacebookWhatsApp

রোকেয়া বেগমের সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যাবে? মতামত দাও।

উত্তর: শারীরিক ও মানসিক যেকোনো পরিশ্রমের পর যে অবসাদ আসে তাকেই ক্লান্তি বলে।অধিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে ল্যাকটিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়। দেহে যদি সোডিয়াম ফসফেটের মতো কোনো রাসায়নিক দ্রব্য প্রবেশ করানো যায়, তবে ল্যাকটিক এসিডের প্রভাব নষ্ট হয় এবং ক্লান্তি হ্রাস পায়। রোকেয়া বেগম সারাদিন পরিকল্পনা ছাড়াই বিভিন্ন কাজ করেন এবং একাই সবার কাজ করেন। ফলে তিনি ক্লান্ত হয়ে যান এবং তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তাই সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে সবাই তার ওপর বিরক্ত হয়। এ সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় তার ক্লান্তি হ্রাস করা। রোকেয়া বেগমের ক্লান্তি হ্রাস করতে হলে যা যা করতে হবে সেগুলো হলো-১. রোকেয়া বেগমের সময় পরিকল্পনা করতে হবে।২. শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তাকে সচেতন থাকতে হবে। কারণঅতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলেই শারীরিক ক্লান্তির উৎপত্তি হয়।৩. কাজ এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি ভারি কাজের পর হালকা কাজ থাকে। ৪. শ্রম লাঘবের জন্য কাজ সহজকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।৫. কাজের মাঝে বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে Work Curve সম্পর্কে জানতে হবে। দিনের শুরুতে কর্মশক্তি যা থাকে মধ্যাহ্নে তা বৃদ্ধি পায় এবং দুপুরের পর কমতে থাকে। তাই Work Curve সম্পর্কে অবগত থাকলে সেভাবে কর্মপরিকল্পনা করে ক্লান্তি হ্রাস করা সম্ভব। ৬. কাজ করার সময় শারীরিক অবস্থান সঠিক থাকলে এবং মাংসপেশী কার্যকরভাবে চালিত করলে ক্লান্তি কম হয়।৭. শারীরিক অথবা মানসিক যেকোনো ক্লান্তি দূর করতে হলে প্রথমে তার কারণ সম্পর্কে জানতে হবে। এরপর ক্লান্তি দূর করার চেষ্টাকরতে হবে।৮. কাজের সময় যতটুকু সম্ভব বৈচিত্র্য আনতে হবে।পরিশেষে বলা যায়, কাজ করার সময় রোকেয়া বেগমকে আরও বেশি কৌশলী হতে হবে। তাহলেই তার শারীরিক ক্লান্তি হ্রাস পাবে এবং তিনি সকলের নিকট পছন্দনীয় হবেন। শারীরিক ক্লান্তির উৎপত্তি হয়। শ্রম লাঘবের বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে ক্লান্তি কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে কাজ সহজকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। তাছাড়া কাজের মাঝে বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে Work Curve সম্পর্কে জানতে হবে। দিনের প্রারম্ভে কর্মশক্তি যা থাকে মধ্যাহ্নে তা বৃদ্ধি পায়, দুপুরের পর কমতে থাকে। তাই Work Curve সম্পর্কে অবগত থাকলে সেভাবে কর্ম পরিকল্পনা করে ক্লান্তি সহজেই হ্রাস করা সম্ভব। কাজ করার সময় শরীরের অবস্থান মাংসপেশি কার্যকরভাবে চালিত করলে ক্লান্তি কম হয়।তাই সঠিক সময়ে সঠিক কাজ পেতে হলে এবং কাজে সফলতা অর্জন করতে হলে সব ধরনের ক্লান্তি দূর করা আবশ্যক।

HSC Home Science 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Home Science 1st Paper · সৃজনশীল

রোকেয়া বেগমের সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যাবে? মতামত দাও।

উদ্দীপক

রোকেয়া বেগম সারাদিনই সংসারের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তবে এসব কাজ পরিকল্পনা ছাড়া করার ফলে তার যেকোনো কাজ করতে অনেক সময় ও শক্তি খরচ হয়। ফলে ক্লান্তি নিয়ে কাজ করার সময় তিনি সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। সবার কাজ করে দেওয়া সত্ত্বেও ইদানীং পরিবারের সদস্যরা তাকে অপছন্দ করা শুরু করেছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2023

উত্তর

রাসায়নিক দ্রব্য সোডিয়াম ফসফেট ক্লান্তি হ্রাসে ভূমিকা রাখে।

উত্তর

সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে গৃহস্থালির কাজকর্ম সহজ ও সংক্ষেপে করার জন্য অনেক নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে। কাজের বিভিন্ন সামগ্রীতে পরিবর্তন বলতে বোঝায় বাজারে সহজে প্রাপ্য এমন সব জিনিস ব্যবহার করে গৃহিণী সময় ও শক্তির সদ্ব্যবহার করতে পারেন। যেমন- রুমালের পরিবর্তে টিস্যু পেপার ব্যবহার, Disposable (এমনভাবে তৈরি যে ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হয়) প্লেট, গ্লাস ব্যবহার ইত্যাদি।

উত্তর

রোকেয়া বেগমের সমস্যার মূল কারণ হলো শারীরিক ক্লান্তি।ত্রুটিপূর্ণ সময় পরিকল্পনা বা পরিকল্পনার অভাব এবং শক্তির অপচয়ের ফলে যে অবসাদ দেখা দেয় তাকেই ক্লান্তি বলে। কোনো কাজ করার পর ক্লান্তি দেখা দিলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর তার প্রভাব পড়ে। শারীরিক ক্লান্তি যেসব কারণে দেখা যায় তা নিচে দেওয়া হলো-১. কাজ করার সময় মাংসপেশির তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে যদি দেহের জলীয় পদার্থসমূহ স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখতে না পারে তবে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়। জলীয় পদার্থসমূহের গঠন যতো অস্বাভাবিক হবে, ক্লান্তির পরিমাণ ততো বেশি হবে।২. কায়িক পরিশ্রমের সময় দেহকে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন গ্রহণ করতে হয়। এ অক্সিজেন গ্রহণ প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকলে ল্যাকটিক এসিডের উৎপত্তি হয় এবং শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়।৩. কাজ করার সময় মাংসপেশির তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। মাংসপেশির তৎপরতা মোকাবিলার শক্তি আসে রক্তের গ্লাইকোজেন ভেঙে ল্যাকটিক এসিড থেকে। ল্যাকটিক এসিড মাংসপেশিকে দুর্বল করে দেয়। কঠিন কাজে ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে শারীরিক ক্লান্তিও তাড়াতাড়ি আসে।পরিশেষে বলা যায়, রোকেয়া বেগম পরিকল্পিতভাবে কাজ না করার ফলে তাকে অধিক পরিশ্রম করতে হয়। ফলে উপরিউক্ত উপায়ে তার শারীরিক ক্লান্তি বৃদ্ধি পায়।

উত্তর

শারীরিক ও মানসিক যেকোনো পরিশ্রমের পর যে অবসাদ আসে তাকেই ক্লান্তি বলে।অধিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে ল্যাকটিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেয়। দেহে যদি সোডিয়াম ফসফেটের মতো কোনো রাসায়নিক দ্রব্য প্রবেশ করানো যায়, তবে ল্যাকটিক এসিডের প্রভাব নষ্ট হয় এবং ক্লান্তি হ্রাস পায়। রোকেয়া বেগম সারাদিন পরিকল্পনা ছাড়াই বিভিন্ন কাজ করেন এবং একাই সবার কাজ করেন। ফলে তিনি ক্লান্ত হয়ে যান এবং তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তাই সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে সবাই তার ওপর বিরক্ত হয়। এ সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় তার ক্লান্তি হ্রাস করা। রোকেয়া বেগমের ক্লান্তি হ্রাস করতে হলে যা যা করতে হবে সেগুলো হলো-১. রোকেয়া বেগমের সময় পরিকল্পনা করতে হবে।২. শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তাকে সচেতন থাকতে হবে। কারণঅতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলেই শারীরিক ক্লান্তির উৎপত্তি হয়।৩. কাজ এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি ভারি কাজের পর হালকা কাজ থাকে। ৪. শ্রম লাঘবের জন্য কাজ সহজকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।৫. কাজের মাঝে বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে Work Curve সম্পর্কে জানতে হবে। দিনের শুরুতে কর্মশক্তি যা থাকে মধ্যাহ্নে তা বৃদ্ধি পায় এবং দুপুরের পর কমতে থাকে। তাই Work Curve সম্পর্কে অবগত থাকলে সেভাবে কর্মপরিকল্পনা করে ক্লান্তি হ্রাস করা সম্ভব। ৬. কাজ করার সময় শারীরিক অবস্থান সঠিক থাকলে এবং মাংসপেশী কার্যকরভাবে চালিত করলে ক্লান্তি কম হয়।৭. শারীরিক অথবা মানসিক যেকোনো ক্লান্তি দূর করতে হলে প্রথমে তার কারণ সম্পর্কে জানতে হবে। এরপর ক্লান্তি দূর করার চেষ্টাকরতে হবে।৮. কাজের সময় যতটুকু সম্ভব বৈচিত্র্য আনতে হবে।পরিশেষে বলা যায়, কাজ করার সময় রোকেয়া বেগমকে আরও বেশি কৌশলী হতে হবে। তাহলেই তার শারীরিক ক্লান্তি হ্রাস পাবে এবং তিনি সকলের নিকট পছন্দনীয় হবেন। শারীরিক ক্লান্তির উৎপত্তি হয়। শ্রম লাঘবের বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে ক্লান্তি কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে কাজ সহজকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। তাছাড়া কাজের মাঝে বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে Work Curve সম্পর্কে জানতে হবে। দিনের প্রারম্ভে কর্মশক্তি যা থাকে মধ্যাহ্নে তা বৃদ্ধি পায়, দুপুরের পর কমতে থাকে। তাই Work Curve সম্পর্কে অবগত থাকলে সেভাবে কর্ম পরিকল্পনা করে ক্লান্তি সহজেই হ্রাস করা সম্ভব। কাজ করার সময় শরীরের অবস্থান মাংসপেশি কার্যকরভাবে চালিত করলে ক্লান্তি কম হয়।তাই সঠিক সময়ে সঠিক কাজ পেতে হলে এবং কাজে সফলতা অর্জন করতে হলে সব ধরনের ক্লান্তি দূর করা আবশ্যক।
HSCHome Science 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের কোনটি তীব্র অপসারক?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোন শাড়ি তৈরিতে বেইন ব্যবহার করা হয়?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সালোয়ারের রঙের সাথে ওড়নার রং মিলিয়ে পরলে প্রকাশ পায়--

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও : ঘরে তৈরি পোশাকটি কান্তার হাতে ঢুকল না। সেলাই খুলে মেরামতের পর সেটি ব্যবহারের উপযোগী হলো। মা কাস্তাকে বললেন, এখনকার মতো আমাদের ছেলেবেলায়ও সবার কাছে এই ডিজাইনের পোশাক জনপ্রিয় ছিল। Q. কান্ডার মায়ের কথায় বোঝা যায়- i. ডিজাইনটি বর্তমানের ফ্যাশন ii. ফ্যাশন চক্রাকারে আবর্তিত হয় iii. ফ্যাশন সকলের পছন্দনীয় নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও : ঘরে তৈরি পোশাকটি কান্তার হাতে ঢুকল না। সেলাই খুলে মেরামতের পর সেটি ব্যবহারের উপযোগী হলো। মা কান্তাকে বললেন, এখনকার মতো আমাদের ছেলেবেলায়ও সবার কাছে এই ডিজাইনের পোশাক জনপ্রিয় ছিল। Q. দেহের কোন অংশের মাপ ভুল হওয়ায় কান্তার হাতে পোশাকটি ঢুকল না?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটি শিল্পনীতি?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ক্রেতার চাহিদা শেষ হওয়ার সাথে সাথে কোনটির পতন হয়?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও : পূর্ণিমা নকশা করা কাঠ দিয়ে কাপড়ে রঙের মাধ্যমে বৈচিত্র্য আনে। অন্যদিকে মিতু মোম দিয়ে ঢেকে রং করে ৷ Q. উদ্দীপকে ব্যবহৃত দুটি পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হলো- i. উপকরণের ii. পদ্ধতিতে iii. উপযোগিতায় নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও : পূর্ণিমা নকশা করা কাঠ দিয়ে কাপড়ে রঙের মাধ্যমে বৈচিত্র্য আনে। অন্যদিকে মিতু মোম দিয়ে ঢেকে রং করে ৷ Q. পূর্ণিমা কোন প্রক্রিয়ায় কাপড়ে বৈচিত্র্য এনেছিল?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুসের দাগ অপসারণের জন্য ব্যবহার করতে হবে-

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.চাকমা মহিলাদের ব্যবহার্য পোশাক কোনটি?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ধানক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার প্রধানত কোনটি নির্দেশ করে?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের কোনটি তীব্র অপসারক?কোন শাড়ি তৈরিতে বেইন ব্যবহার করা হয়?সালোয়ারের রঙের সাথে ওড়নার রং মিলিয়ে পরলে প্রকাশ পায়--নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও : ঘরে তৈরি পোশাকটি কান্তার হাতে ঢুকল না।নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও : ঘরে তৈরি পোশাকটি কান্তার হাতে ঢুকল না।নিচের কোনটি শিল্পনীতি?ক্রেতার চাহিদা শেষ হওয়ার সাথে সাথে কোনটির পতন হয়?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও : পূর্ণিমা নকশা করা কাঠ দিয়ে কাপড়ে রঙনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও : পূর্ণিমা নকশা করা কাঠ দিয়ে কাপড়ে রঙজুসের দাগ অপসারণের জন্য ব্যবহার করতে হবে-চাকমা মহিলাদের ব্যবহার্য পোশাক কোনটি?ধানক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার প্রধানত কোনটি নির্দেশ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।