উদ্দীপকের রিপন নৈরাশ্যজনিত মানসিক ক্লান্তিতে ভুগছে। শারীরিক ও মানসিক যেকোনো পরিশ্রমের পরই ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। ক্লান্তি যেকোনো কাজের জন্যই ক্ষতিকর। ক্লান্তির কারণে ব্যক্তির কাজ করার স্পৃহা কমে যায়। ক্লান্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. শারীরিক ক্লান্তি ও ২. মানসিক ক্লান্তি। উদ্দীপকের রিপন মাস্টার্স পাস করার পর চাকরি চেষ্টা করছে; কিন্তু সফলকাম হতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে তার মাঝে নৈরাশ্যজনিত মানসিক ক্লান্তি বিরাজ করছে বলা যায়। তাকে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সাহায্য করতে তার বাবা গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারেন। মানসিক ক্লান্তির কেন্দ্রস্থল হলো মানুষের স্নায়ুতন্ত্র। মন যখন অবসাদে আচ্ছন্ন থাকে তখন মানুষের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি সৃষ্টি হয়। কাজে অকৃতকার্য হলে, অভিজ্ঞতার অভাব হলে, কাজে প্রশংসা অর্জন করতে না পারলে কিংবা দুশ্চিন্তা করলে নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি দেখা দেয়। এ ধরনের ক্লান্তির ক্ষেত্রে অকৃতকার্য ব্যক্তিকে উপদেশ দিয়ে, কাজের সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে বা সরাসরি তার কাজের সমালোচনা থেকে বিরত থাকলে উক্ত ব্যক্তির নৈরাশ্যজনিত ক্লান্তি প্রশমিত করা যায়। এক্ষেত্রে সকলের সচেতন থাকা প্রয়োজন।