নিপার কাজে গৃহ ব্যবস্থাপনার 'সংগঠন' পর্যায়টি প্রাধান্য পেয়েছে। কেননা নিপা তার দলের প্রত্যেককে দক্ষতা অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দেয় এবং যথাসময়ে তারা কাজটি শেষ করে, যা সংগঠনকেই নির্দেশ করে।গৃহ ব্যবস্থাপনার দ্বিতীয় ধাপ হলো সংগঠন। সাধারণভাবে একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার প্রণালিকে সংগঠন বলা হয়। পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের করণীয় কাজগুলো সম্পাদনের সাথে পরিকল্পনার সংযোগ সাধন করার নাম সংগঠন। অর্থাৎ কাজ, কর্মী ও. কর্ম সম্পাদনের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাকে সংগঠন বলে। সংগঠনের পর্যায়ে কোন কাজ কোথায়, কীভাবে করা হবে তা স্থির করা হয়। সংগঠনের পর্যায়ে পরিবারের বিভিন্ন সম্পদ সম্পর্কে বিশদভাবে খুঁটিনাটি চিন্তা করে কোথায়, কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে তা স্থির করা হয়ে থাকে। কাজ করতে গেলে- কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, কার সে কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আছে, কীভাবে কাজটি করতে হবে, কী কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত।Nicholes সংগঠনের তিনটি পর্যায় উল্লেখ করেন। যথা-১. প্রথম পর্যায়ে ব্যক্তি একটি করণীয় কাজের বিভিন্ন অংশের ধারাবাহিক বিন্যাস রচনা করে।২. দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যক্তি তার বিভিন্ন কাজের ধারা রচনা করে।৩. তৃতীয় পর্যায়ে ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট কাজ বা কাজসমূহ বিভিন্ন ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করতে একটি কর্ম কাঠামো রচনা করে।সংগঠন পর্যায়ে পৃথক পৃথক অংশের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ কাঠামো তৈরি করা হয়।উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, নিপার কার্যক্রমে গৃহ ব্যবস্থাপনার দ্বিতীয় স্তর সংগঠন প্রাধান্য পেয়েছে।