ফারিহা কুফরে লিপ্ত, আর কুফরির পরিণতি সম্পর্কে শ্রেণি শিক্ষকের মন্তব্যটি যথার্থ।কুফর অর্থ অস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা। ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহর মনোনীত দীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো একটিকেও অবিশ্বাস করাকে কুফর বলে। কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিকে কাফির বলে। মানুষ নানাভাবে কাফির হতে পারে। তন্মধ্যে একটি হলো ইসলামের মৌলিক কোনো ইবাদত অস্বীকার করা। ফারিহা সালাত, সাওম ইত্যাদি ইবাদতে বিশ্বাস করে না। এরূপ ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো অস্বীকার করা কুফরি। সুতরাং ফারিহা কুফরিতে লিপ্ত। মানবজীবনে কুফরের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কুফরের মাধ্যমে শুধু দুনিয়াতেই নয় বরং আখিরাতেও মানুষকে শোচনীয় পরিণতি বহন করতে হবে। কুফরির মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার প্রতি অবিশ্বাস, অকৃতজ্ঞতা ও অবাধ্যতা সৃষ্টি হয়। কাফির আল্লাহ তায়ালার আদেশ-নিষেধ, বিধিবিধানের কোনো পরোয়া করে না। বরং আল্লাহ ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে বিদ্রোহ ও বিরোধিতা করে, ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। ফলে আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন। আর যার প্রতি আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হন, সে যত ক্ষমতা ও সম্পদের মালিক হোক না কেন তার ধ্বংস অনিবার্য। পরকালে তারা জাহান্নামের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "যারা কুফরি করবে এবং আমার নির্দেশগুলোকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরদিন থাকবে।" (সূরা আল-বাকারা: ৩৯)তাই বলা যায়, কুফরির পরিণতি সম্পর্কে শ্রেণিশিক্ষকের মন্তব্যটি সঠিক ও যথার্থ।