উদ্দীপকে উল্লিখিত টগর ও আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই-এর মধ্যে পরকালে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে নিক্ষিপ্ত হবে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই। কেননা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাহ ছিল একজন মুনাফিক।নিফাক শব্দের অর্থ কপটতা, দ্বিমুখীভাব ইত্যাদি। পরিভাষায়, অন্তরে বিরোধিতা গোপন রেখে বাহিরে আনুগত্য প্রদর্শন করাকে নিফাক বলে। ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য মুনাফিকরা খুবই ক্ষতিকর কেননা তারা মুসলমানদের সাথে মিশে ইসলামের শত্রুদের সাহায্য করে। মুসলমানদের গোপন তথ্য ও দুর্বলতার কথা শত্রুদের জানিয়ে দেয়। মুনাফিকদের পরিণতি খুবই ভয়াবহ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয় মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে।” (সূরা আন-নিসা : ১৪৫) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর জামানায় মুনাফিকদের নেতা ছিল আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই। সে মুহম্মদ (স.)-এর পেছনে সালাত আদায় করত, উপরে ইসলামের আনুগত্য করলেও সে অন্তরে ইসলামের ঘোর বিরোধিতা করত। কাফেরদের সাথে মিলে মুসলমানদের পরাজিত করতে সাহায্য করত। তার উস্কানিতে উহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং সে মুসলমানদের দুর্বল দিক কাফিরদেরকে জানিয়ে দিত।উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ দেখা যায়, রাসুল (স.) মদিনায় হিজরের পরআব্দুল্লাহ ইবনে উবাই নামক এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে মহানবি (স.)-এর প্রতি ইমান আনে এবং তাঁর অনুসরণ করে। কিন্তু গোপনে সে নবীজী (স.) ও মুসলমানদের ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাই বলা যায়, তার এসব কর্মকাণ্ড স্পষ্টই মুনাফিকি। আর তাই মহান আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী সে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে নিক্ষিপ্ত হবে।