ফারহান সাহেবের কর্মে কুফরের বিশ্বাস ফুটে উঠেছে। এ অর্থে ফারহান সাহেব কাফির হিসেবে গণ্য হবে।ইসলামি পরিভাষায়, আল্লাহ তায়ালার মনোনীত দীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো একটিরও প্রতি অবিশ্বাস করাকে কুফর বলা হয়। যে ব্যক্তি কুফরে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় কাফির। মানুষ নানাভাবে কাফির বা অবিশ্বাসী হতে পারে। যেমন- (ক) আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব অবিশ্বাস বা অস্বীকার করার দ্বারা। (খ) আল্লাহ তায়ালার গুণাবলিতে অস্বীকার করা। (গ) ইমানের মৌলিক সাতটি বিষয়ে অবিশ্বাস করা। (ঘ) ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো অস্বীকার করা। (ঙ) হালালকে হারাম মনে করা। (চ) হারামকে হালাল মনে করা। (ছ) ইচ্ছাকৃতভাবে কাফিরদের অনুকরণ করা, তাদের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করা। (জ) ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা।ফারহান সাহেব নাইট ক্লাব চালু করে মদ ও জুয়ার আসর বসিয়ে টাকা উপার্জন করেন। এরূপ অবৈধ কাজকে তিনি বৈধ মনে করেন। অর্থাৎ ফারহান সাহেব হারামকে হালাল হিসেবে গণ্য করেন। সুতরাং ফারহান সাহেবের কর্ম কুফর হিসেবে গণ্য হবে কুফরের কুফলগুলো হলো- ক. অবাধ্যতা ও অকৃতজ্ঞতা, খ. পাপাচার বৃদ্ধি, গ. হতাশা সৃষ্টি, ঘ. অনৈতিকতার প্রসার, ৬. আল্লাহর অসন্তুষ্টি। এমতাবস্থায় ফারহান সাহেবকে শুধু দুনিয়াতেই নয় বরং আখিরাতেও শোচনীয় পরিণতি বরণ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরদিন থাকবে।" (সূরা আল-বাকারা: ৩৯) পরিশেষে বলা যায়, ফারহান সাহেব কর্মের মাধ্যমে তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে শোচনীয় পরিণতি বরণ করতে হবে।