মুরতাজার বিশ্বাসটি আখিরাতে বিশ্বাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আখিরাত হলো পরকাল। আখিরাতের জীবন চিরস্থায়ী। এ জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। সেখানে মানুষকে দুনিয়ার জীবনের সকল কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। কবর, হাশর, মিযান, সিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি আখিরাত জীবনের এক একটি পর্যায়। দুনিয়াতে ভালো কাজ করলে মানুষ জান্নাত লাভ করবে। আর ইমান না আনলে, অসৎ কাজ করলে মানুষের স্থান হবে ভীষণ আযাবের স্থান জাহান্নাম। উদ্দীপকে মুরতাজার বিশ্বাসে এ বিষয়গুলোই পরিস্ফুট হয়েছে। সুতরাং মুরতাজার বিশ্বাসটি আখিরাতে বিশ্বাস হিসেবে চিহ্নিত।মানবজীবনে আখিরাতে বিশ্বাসের প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে এবং পুণ্য কাজ করতে উৎসাহ যোগায়। কেননা আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি জানে, পরকালে তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে, দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। ফলে বিশ্বাসী ব্যক্তি দুনিয়াতে সৎকাজে উৎসাহিত হয় এবং অসৎকাজ থেকে বিরত থাকে। এভাবে মানুষ অসৎচরিত্র বর্জন করে সৎচরিত্রবান হয়ে ওঠে। অপরদিকে, আখিরাতে যে অবিশ্বাস করে, সে সুযোগ পেলেই পাপাচার ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে, আখিরাতে বিশ্বাসী মানুষ কখনো পাপাচার ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হতে পারে না।পরিশেষে বলা যায়, মুরতাজার বিশ্বাসটি আখিরাতে বিশ্বাস হিসেবে চিহ্নিত এবং আখিরাতে বিশ্বাসের প্রভাব মানবজীবনকে কলুষমুক্ত, পবিত্র ও সুন্দর করে তোলে।