নাঈমের মানসিকতা চিহ্নিতপূর্বক তার সম্পর্কে খতিব সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে নাঈমের মানসিকতায় শিরক ফুটে উঠেছে। শিরক অর্থ অংশীদার সাব্যস্ত করা। মহান আল্লাহর সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে শিরক বলে। মহান আল্লাহর সাথে শিরক চার ধরনের হতে পারে। তন্মধ্যে একটি হলো সৃষ্টি জগতের পরিচালনায় কাউকে আল্লাহর অংশীদার বানানো। উদ্দীপকে ফাহিম স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করলেও মহাবিশ্ব পরিচালনার জন্য আল্লাহর সহযোগী দরকার বলে মনে করে। তাই তার মানসিকতায় শিরক ফুটে উঠেছে। তার এরূপ মানসিকতার আলোকে খতিব সাহেবের উক্তিটি যথার্থ।শিরক অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো শিরক। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।" (সূরা লুকমান: ১৩)আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। বস্তুত আল্লাহ তায়ালার দয়া, ক্ষমা ও রহমত ব্যতীত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। পরকালে মুশরিকদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।আল-কুরআনে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, "যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস হবে জাহান্নাম।" (সূরা আল-মায়িদা: ৭২)উদ্দীপকে নাঈম ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ শিরকে লিপ্ত। তাই নাঈমের পরিণতি সম্পর্কে খতিব সাহেবের উক্তিটি যথার্থ। অতএব, আমরা শিরক থেকে বেঁচে থাকব এবং আল্লাহর একত্ববাদে দৃঢ় বিশ্বাসী হব।
SSC ইসলাম শিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · সৃজনশীল
নাঈমের মানসিকতা চিহ্নিতপূর্বক তার সম্পর্কে খতিব সাহেবের উক্তিটির যথ…
উদ্দীপক
Comilla · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর