দৃশ্যকল্প-২ এ মারুফের বাবার উক্তিটির যথার্থতা ইসলামের আলোকে মূল্যায়ন কর।
উত্তর: দৃশ্যকল্প-২ এ মারুফের বাবার উক্তিটি যথার্থ।পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় জুলুম হলো শিরক।আল্লাহ তায়ালা বলেন- إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ - অর্থ : নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম। (সূরা লুকমান: ১৩) বস্তুত আল্লাহ তায়ালাই আমাদের স্রষ্টা ও প্রতিপালক। তাঁর প্রদত্ত নিয়ামতই আমরা ভোগ করি। এরপরও কেউ যদি আল্লাহ তায়ালার সাথে কাউকে অংশীদার স্থাপন করে তবে তা অপেক্ষা বড় জুলুম আর কী হতে পারে। আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন- إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ جِ অর্থ : “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।" (সূরা আন-নিসা : ৪৮) বস্তুত আল্লাহ তায়ালার দয়া, ক্ষমা ও রহমত ব্যতীত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। পরকালে মুশরিকদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল-কুরআনে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য অবশ্যই জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।” (সূরা আল মায়িদা: ৭২) - শিরক চার ধরনের হতে পারে। তন্মধ্যে একটি হলো- ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর তায়ালার সাথে কাউকে শরিক করা। যেমন- আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সিজদাহ করা, কারও নামে পশু জবাই করা ইত্যাদি। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, মারুফ ও তার বাবা ঐতিহাসিক স্থান করতে গিয়ে দেখল যে, কিছু মানুষ এক মহান ব্যক্তির কবরে সিজদারত অবস্থায় প্রার্থনা করছিল। তখন তার বাবা মন্তব্য করেন, "এটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ।” তাই বলা যায়, ইসলামের আলোকে মারুফের বাবার মন্তব্যটি যথার্থ।
SSC ইসলাম শিক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-২ এ মারুফের বাবার উক্তিটির যথার্থতা ইসলামের আলোকে মূল্যায়…
উদ্দীপক
Barisal · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর