রেবা খাদ্য সংরক্ষণের সব পদ্ধতি ব্যবহার করেননি খাদ্যের গুণগত মান বজায় রেখে সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় সঞ্জয় করাকে খাদ্য সংরক্ষণ বলে। খাদ্য সংরক্ষণের জন্য কিছু নীতি অনুসরণ করতে হয়। সেগুলো হলো— খাদ্যের গুণগতমান বজায় রাখা, খাদ্যের বর্ণ ও গন্ধ অবিকৃত রাখা, খাদ্যে এনজাইম ও জীবাণুর বৃদ্ধিকে বাধা দেয়া। সংরক্ষণ করে খাদ্যকে বেশি দিন টিকিয়ে রাখার জন্য কতগুলো পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়। সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে খাদ্য সংরক্ষণ করলে এর পুষ্টিমূল্য বজায় থাকে এবং খাদ্য জীবাণুর আক্রমণ হতে রক্ষা পায়। নষ্ট হওয়ার কারণ জেনে খাদ্য সংরক্ষণ করলে সবদিক থেকে ভালো ফল পাওয়া যাবে। রেবা খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হিমায়িতকরণ এবং সংরক্ষক দ্রব্য প্রয়োগ এ দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন।
এছাড়াও খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আরো দুটি পদ্ধতি আছে। সেগুলো হলো— তাপ প্রয়োগ ও শুষ্ককরণ। তাপ প্রয়োগের মধ্যে রয়েছে পাস্তুরাইজেশন, স্ফুটন ও ক্যানিং এবং বটলিং প্রক্রিয়া। এপদ্ধতিতে ফল, দুধ, মাছ ও মাংস সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়া শুষ্ককরণ পদ্ধতিতে খাদ্যবস্তুর আর্দ্রতা নিষ্কাশন করে বা পানি শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। শুকানোর ফলে খাদ্যদ্রব্যের জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ এবং ছত্রাক ও এনজাইমের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। এ পদ্ধতিতে শুটকি, মাংস, খেজুর, কিসমিস, শিমের বিচি, মটরশুঁটি ইত্যাদি সংরক্ষণ করা যায়। খাদ্য শুকানোর ফলে পুষ্টিগুণ তেমন নষ্ট হয় না, শুধু ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়ে যায়।
রেবা তার খাদ্য সংরক্ষণে এ দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করেনি। তাই বলা যায় খাদ্য সংরক্ষণের সকল পদ্ধতি রেবা ব্যবহার করেনি।