আফজাল সঠিক প্রক্রিয়ায় ফল ও সবজি অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবে।
বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। যেমন— তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে : খাদ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হচ্ছে উচ্চতাপ প্রয়োগ, যেখানে জীবাণু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়। তাপ প্রয়োগের ফলে যেসব পদ্ধতিতে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়, তার মধ্যে পাস্তুরাইজেশন, স্ফুটন ও ক্যানিং অন্যতম।
শুষ্ককরণ : খাদ্যবস্তু হতে পানি শুকানোর ফলে ছত্রাক, জীবাণু ও এনজাইমের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে খাদ্য অনেকদিন পর্যন্ত রাখা যায়৷ শুকনা খাদ্যে কেবল ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়। শুকানোর ফলে খাদ্যবস্তুর চামড়া কুঁচকিয়ে যায়। খাদ্যের টাটকা ও রসালো স্বাদ থাকে না। সাধারণত কুল, খেজুর, কিসমিস, মরিচ, আলু, রসুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মটরশুঁটি, টমেটো শুকিয়ে রাখা যায়।
হিমায়িতকরণ: সঠিকভাবে হিমায়িতকরণ করা হলে খাদ্যের পুষ্টিমান, গন্ধ ও রঙের খুব একটা পরিবর্তন হয় না। হিমায়িতকরণ পদ্ধতিতে জীবাণুর বংশবৃদ্ধি রোধ হয় এবং এনজাইমের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে সহজে খাদ্য নষ্ট হয় না। নিম্নতাপে খাদ্যবস্তুর পানি জমে যায়। তাজা ফল, সবজি, রেফ্রিজারেটরে 0°C - ৫°C তাপমাত্রায় ১ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। হিমায়িতকরণের আগে খাদ্যবস্তুকে ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত।
রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ: খাদ্য পচে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বহুদিন যাবত অবিকৃত রাখার জন্য যেসব দ্রব্য ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে খাদ্য সংরক্ষক (Food Preservatives) দ্রব্য বলে। লবণ, চিনি, সিরকা, তেল, বেনজয়িক এসিড প্রভৃতির মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।
উল্লিখিত পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে আফজাল ফল ও সবজি সংরক্ষণ করতে পারবে।