উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্য-১-এ পাঠ্যবইয়ের ফুটে উঠা বিষয়টি হলো মালিক শ্রমিক সম্পর্ক। ইসলামের দৃষ্টিতে মালিকের সাথে শ্রমিকের সম্পর্ক হতে হবে অত্যন্ত নিবিড়। ইসলামে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার যেমন রয়েছে। তেমনি শ্রমিককেও মালিকের কাজ যথাযথভাবে পালন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে হযরত মুহাম্মদ (স.) দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। খুব দ্রুত শ্রমিকের পারিশ্রমিক আদায়ের ব্যাপারে ইসলামের বিধান সুস্পষ্ট। হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন- "শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও।” (ইবনে মাজাহ)পারিশ্রমিক দিতে অকারণে বিলম্ব করা সমীচীন নয়। শ্রমিক যাতে তার শ্রমের সঠিক মূল্য পায় সে ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, "মজুরের পারিশ্রমিক নির্ধারণ না করে তাকে কাজে নিয়োগ করো না।” একইভাবে শ্রমিককেও তার মালিকের দেওয়া দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার ব্যাপারে ইসলামে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন, "গোলাম (শ্রমিক) যখন তার মালিকের কাজ সুচারুরূপে করে এবং সুষ্ঠুভাবে আল্লাহর ইবাদত করে তখন সে দ্বিগুণ প্রতিদান পায়।” (বুখারি ও মুসলিম)উদ্দীপকে তথ্য-১-এ দেখা যায়, গাজীপুরের শতাধিক পোষাক কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য দাবি মানার আহ্বান জানায়। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে জনৈক আলিম উভয় পক্ষকে ইসলামের নির্দেশনা মেন চলাব পরামর্শ দেন। তাই বলা যায়, তথ্য-১ এর বর্ণিত বিষয়টিতে পাঠ্যবইয়েরউল্লিখিত মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।