জনাব আব্দুল হালিমের কাজে পাঠ্যবইয়ের বৃক্ষরোপণ সম্পর্কিত হাদিসের শিক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।মহানবি (সা.) বৃক্ষরোপণের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে বলেন, “কোনো মুসলমান যদি বৃক্ষরোপণ করে কিংবা কোনো ফসল আবাদ করে, এরপর তা থেকে কোনো পাখি, মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু কিছু ভক্ষণ করে তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে।" (বুখারি ও মুসলিম)। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর দ্বারা মানুষ নানাভাবে উপকৃত হয়, বেঁচে থাকার জন্য মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান প্রয়োজন। বৃক্ষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমাদের সে প্রয়োজন পূরণ করে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায়ও বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।উদ্দীপকে আব্দুল হালিম রাস্তার দুই পাশে আম ও মেহগনি বৃক্ষরোপণ করেন। তার উক্ত কাজের দ্বারা পথচারী ও পশুপাখি লাভবান হবে। তাছাড়া তিনি আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন। অতএব বলা যায়, আব্দুল হালিম উপরিউক্ত হাদিসের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৃক্ষরোপণ করার মাধ্যমে পার্থিব লাভের পাশাপাশি আখিরাতেও সওয়াবের অধিকারী হবনে।