শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

উত্তর: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকা: বাংলাদেশ নদীমাতৃক একটি বদ্বীপ অঞ্চল। ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে প্রায়ই বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে থাকে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, খরা, নদীভাঙন, শিলাবৃষ্টি, ভূমিধস প্রভৃতি দুর্যোগ এদেশের মানুষের জন্য বড় হুমকি। এসব দুর্যোগ দেশের অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের জীবনে ভয়াবহ ক্ষতির সৃষ্টি করে। কালবৈশাখি: বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছরই কালবৈশাখির ফলে বাংলার বহু এলাকা বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ের তান্ডবলীলায় গাছপালা, ঘরবাড়ি ভেঙে যায়। মারা যায় হাজার হাজার গরু-বাছুর, পাখপাখালি, মানুষ হয় অসহায়। অনেকসময় মানুষেরও প্রাণহানি ঘটে। বৈশাখ মাসে কালবৈশাখি আঘাত হানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। বন্যা: বন্যা বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের রূপ নিয়ে দেখা দেয়। ছোটখাটো প্লাবনকে আমরা বলি বর্ষা। সেই প্লাবন যখন বিশাল আকার ধারণ করে তখন তাকে বন্যা বলা হয়। দেশের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে ভেসে যায়। কোনো কোনো বছর তা ভয়ংকর রূপ নেয়। ধ্বংস হয় শত শত গ্রাম। মারা যায় গরু, বাছুর, মানুষ। নষ্ট হয় হাজার হাজার একর জমির ফসল। ১৯৭৪, ১৯৮৭ সালের বন্যায় আমাদের দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। ১৯৮৮ সালের বন্যা ছিল বাংলাদেশের স্মরণকালের ভয়াবহতম বন্যা, যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন ছিল। সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস: সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় বছরই জলোচ্ছ্বাস হয়। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিগত ১৮৫ বছরে বাংলাদেশে ৫১ বার সাইক্লোন সংঘটিত হয়েছে। ১৯৭০ সালের সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস সবাইকে হতবাক করে দেয়। সেই ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল আড়াইশ কিলোমিটার। ১৯৮৫ সালেও বাংলাদেশের দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে হানা দেয় সর্বনাশা সাইক্লোন। সাইক্লোনের প্রচন্ড আঘাতে উড়ির চর এলাকা বিধ্বস্ত হয়। সেই সময়ে প্রায় দেড় লাখের মতো লোক প্রাণ হারায় এবং ধ্বংস হয় জমির ফসল ও অসংখ্য ঘরবাড়ি। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে সংঘটিত হয় স্মরণকালের আরও এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। বাংলাদেশের ১৬টি জেলার প্রায় ৪৭টি থানা বিধ্বস্ত হয়। ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে এই ঝড় হ্যারিকেনের রূপ নিয়ে ২০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। ওই প্রলয়ংকরী জলোচ্ছ্বাসে প্রায় পাঁচ লাখ লোক মারা যায়। টর্নেডো: বাংলাদেশে প্রায় বছরই টর্নেডো বা আকস্মিক ঘূর্ণিবায়ু মারাত্মকভাবে আঘাত হানে। ২০০৪. সালের এপ্রিল মাসে স্মরণকালের ইতিহাসে ভয়াবহতম টর্নেডো আঘাত হানে বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলা ও তার আশেপাশের জেলাগুলোতে। এতে বহু প্রাণহানি ঘটে।ধ্বংস হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। মারা যায় হাজার হাজার গবাদিপশু। শিলাবৃষ্টি: শিলাবৃষ্টি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি। প্রায় বছরই ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। ফলে বিভিন্ন প্রকার ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশেষ করে ইরি ধানের মৌসুমে শিলাবৃষ্টি হলে কৃষকের দুঃখ-দুর্দশার সীমা থাকে না। চারা অবস্থায় শিলাবৃষ্টি হলে ধানের ফলন অনেক কম হয়। ধান বের হওয়ার পর শিলাবৃষ্টি হলে ধান চিটা হয় এবং ঝরে যায়। ভূমিকম্প: বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিবছর ভূমিকম্প হয়। এতে কিছু পরিমাণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয় এবং দালানকোঠা, ঘরবাড়ি ধসে যায়। অনেক সময় ধসে যাওয়া ঘরবাড়ির নিচে চাপা পড়ে মানুষ ও-গরু-ছাগল প্রাণ হারায়। নদীভাঙন: নদীভাঙন বাংলাদেশের একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। দেশের অনেক এলাকা নদীভাঙনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন-পদ্মার তীরে বসবাসকারী লোকেরা নদীভাঙনের ফলে অনেক ক্ষেত্রে সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়। যমুনা নদীর ভাঙনেও অনেক পরিবার সর্বহারা হচ্ছে। খরা: বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশে প্রায় বছরই খরা বা অনাবৃষ্টি দেখা দেয়। যে বছরে খরা বা অনাবৃষ্টি দেখা দেয়, সেই বছর প্রায় সব রকম ফসলেরই ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। খরা বা অনাবৃষ্টি বাংলাদেশের জন্য একটি মারাত্মক ক্ষতিকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। অতিবৃষ্টি: কৃষিপ্রধান দেশে অতিবৃষ্টির ক্ষতিকর দিক কম নয়। বাংলাদেশে প্রায় বছরই অতিবৃষ্টির প্রকোপ দেখা দেয়। অতিবৃষ্টির ফলে ফসলের জমি পানিতে ডুবে যায়, কিংবা জমি থেকে পানি নিষ্কাশন দেরিতে হয়। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। দুর্যোগ মোকাবিলার উপায় বিভিন্ন উপায়ে এসব দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায়। দুর্যোগ মোকাবিলার প্রধান উপায়গুলো নিম্নরূপ:◉ দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীবাহিনী গঠন করা।◉ জাতীয় ভিত্তিতে দুর্যোগ মোকাবিলা করার নীতিমালা, পরিকল্পনা ও কর্মপদ্ধতি প্রণয়ন করা।◉ দুর্যোগ ঘটার পর দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি ও চাহিদা নিরূপণের ব্যবস্থা করা।◉ তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থাকে উন্নত করা।◉ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে রক্ষার জন্য মজবুত বাঁধ, সাইক্লোন শেল্টার ও উঁচু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। উপসংহার: দুর্যোগ সব সময়ই প্রাণিজগতের জন্য বিপদ ডেকে আনে। তাই যেকোনো দুর্যোগের সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে যাওয়া মানবতার কাজ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সরকার অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ফলে আমরা ভবিষ্যতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সময়োপযোগী দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণে সক্ষম হতে পারব।

SSC বাংলা ২য় পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · সৃজনশীল

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর:

Dhaka · 2025

উত্তর

সময়ানুবর্তিতা ভূমিকা: মর্তের মানুষের চিরন্তন বাণীহারা কান্না- 'নাই নাই, নাই যে সময়।' অনন্ত প্রসারিত সময়ের যাত্রা পথ। পৃথিবীর 'পথিক' মানুষ সময়ের সেই পথরেখা ধরে অগ্রসর হয়। সময়ের মতো মানবজীবন যদি অন্তহীন হতো, তাহলে দুঃখ থাকত না মানুষের। সময় নিরবধি, মানবজীবন সংক্ষিপ্ত। এখানেই গরমিল। মানুষ চায় তার সংক্ষিপ্ত জীবনায়তনের মধ্যে বহুতর কর্মের উদ্যাপন। সময় তা মঞ্জুর করে না। কর্ম উদ্যাপনের আগেই তার বিদায়ের ডাক এসে পড়ে। মানুষের কাছে সময় তাই অমূল্য ধন। সময় চলে যায় নদীর স্রোতের মতো। চিরন্তন প্রবহমানতাই তার মূল বৈশিষ্ট্য। মুহূর্তের জন্যও কোথাও সে স্থির থাকে না, কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবনও সময়ের সেই অনন্ত ছন্দে সুর বেঁধেছে। সময়ের অন্তহীন প্রবাহে সে ছুটে চলেছে জন্ম থেকে মৃত্যুর অভিমুখে। সময়ের গুরুত্ব: সময়ের এই অস্থির ধাবমানতার জন্যই জীবন মানুষের কাছে পরম মূল্যবান। সময় অনন্ত, কিন্তু জীবন সীমাবদ্ধ। তার এক প্রান্তে জন্ম, অন্য প্রান্তে মৃত্যু। এই জন্ম ও মৃত্যুর শাসনে জীবন সদা সংকুচিত। মানুষ চায় সময়ের অন্তহীনতার মতো অন্তহীন জীবন; কিন্তু পায় না। মানবজীবনের চরম ট্র্যাজেডি এখানেই। জীবন যা শুধু ঘণ্টা আর মিনিটের সমাহার মাত্র। জীবনের এই সীমাবদ্ধতার জন্যই সময় এত আদরের, এত মূল্যবান। সময় অনন্ত, কিন্তু জীবন তার অতি সামান্য ভগ্নাংশমাত্র। জীবন থেকে যে সময় একবার চলে যায় তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। তাই সময়ানুবর্তিতার গুরুত্ব সম্পর্কে যথার্থ সচেতন থাকা প্রয়োজন। সময়ের অবহেলার পরিণাম: জীবনের এই সীমাবদ্ধ অবসরে দুর্লভ সময়ের যে ভগ্নাংশটুকু পাওয়া যায়, তার সদ্ব্যবহারের মাধ্যমেই জীবন সার্থক এবং সুখময় হয়ে ওঠে। কাজেই জীবনের সংক্ষিপ্ত সীমায়তনের মধ্যে যে পরম মূল্যবান সময় আমরা হাতে পাই, সেই দুর্লভ সময় যদি অবহেলা করে, তাহলে তা হবে সময়ের অপচয়। সেই অপচয়ের পরিণাম আমাদের জীবনে একদিন মর্মান্তিক দুঃখ আর অনুশোচনা নিয়ে আসবে। তখন বুকফাটা আর্তনাদ কিংবা এক সমুদ্র অশ্রুবর্ষণে কিংবা অনুতাপে দগ্ধ হলেও সেই আলস্যে অতিবাহিত সময় আর ফিরে পাওয়া যাবে না। সময়ের মূল্যবোধের অর্থ: প্রকৃতপক্ষে সময়ের যথার্থ মূল্যবোধই জীবনের সাফল্য অর্জনের সোপান। সময়ের মূল্যবোধ হলো, যে সময়ের যে কাজ, তা সেই সময়ে সম্পাদন করা। যে তা করে না, সে করে সময়ের অমর্যাদা এবং পরাজয়ই হয় তার জীবনের চরম পরিণতি। যে কৃষক ফসলের ঋতুতে ফসলের বীজ বপন না করে আলস্যে সময় অতিবাহিত করে, সে কীভাবে ফসল ওঠার সময় খামার পূর্ণ ফসল আশা করতে পারে? সময় চলে গেলে তখন আর কান্নাকাটি করেও লাভ হয় না। মানবজীবনেও সেই একই কথা। আলস্যে অযথা সময় নষ্ট করে জীবন কাটালে শেষ বয়সে অবশ্যই দুঃখ ভোগ করতে হয়। তাই সময়ের মূল্যবোধের গুরুত্ব অনেক। সময়ের অপচয়ের অর্থ: সময়ের মূল্যবোধের অভাবের পেছনে আছে মানুষের নিরাসক্ত জীবনবোধ, আলস্য, উদাসীনতা এবং অদৃশ্য সময়ের নিঃশব্দ অনন্ত যাত্রা। সময়কে চোখে দেখা যায় না, তার অনন্ত যাত্রার ঘণ্টাধ্বনিও শোনা যায় না। মানুষ তাই মনে করে, সময়ও বুঝি তার আলস্যের অনড় পাথরের মতো স্থির হয়ে আছে। তাই সময় পৃথিবীর অলস, কর্মবিমুখ মানুষদের ফাঁকি দিয়ে তার অনাদি যাত্রাপথে প্রস্থান করে। কিন্তু সময় পৃথিবীর সেই অলস, কর্মবিমুখদের আলস্য এবং কর্মবিমুখতাকে ক্ষমা করে না। সময়ের সদ্ব্যবহার: শৈশবই কর্মজীবনে প্রবেশের তোরণ দ্বার। এই সময়ই জীবনের প্রস্তুতির কাল। ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সব দায়িত্বভার বহনের যোগ্যতা এই সময়েই অর্জন করতে হয়। শৈশবকালের প্রতিটি মুহূর্তকে যথাযথভাবে ব্যবহার করলে এবং অমূল্য সময়ের অপচয় না করে তার প্রতিটি দুর্লভ মুহূর্তকে জীবনক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে পরবর্তীকালে সুখ ও শান্তি দুই-ই পাওয়া যাবে। শৈশবেই আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, জীবন মূল্যবান এবং তার অন্তর্ভুক্ত সময় অত্যন্ত সীমিত ও অমূল্য। সেই অমূল্য সম্পদ আছে আমাদের সবার অধিকারে, সবার হাতের মুঠোয়। উপসংহার: সময়ের অপচয় একটা বড় অপরাধ। যারা সময় নষ্ট করে তারা জীবনে উন্নতি করতে পারে না। সময়ের যথার্থ মূল্যবোধই ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনের সাফল্যের সোপান। যেহেতু সময় জীবনের সমস্ত সাফল্য ও সুখের উৎস, তাই প্রত্যেককে সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন হওয়া এবং তার সদ্ব্যবহার করা উচিত। তবেই জাতি পাবে গতি, দেশ হবে সমৃদ্ধ, জীবন হবে আনন্দময়।

উত্তর

বাংলাদেশের উৎসব ভূমিকা : ঋতুর বর্ণময় আত্মপ্রকাশের রঙ্গমঞ্চে বাঙালির ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে অনেক উৎসব আসে। উৎসব জীবনের ছন্দস্পন্দন, প্রতিদিনের তুচ্ছতার যবনিকা, আত্মার দিগন্ত প্রসারণের চলন্তিকা। ভিন্ন ভিন্ন ঋতুর রূপবৈচিত্র্যে বাংলাদেশ যেমন সৌন্দর্যময় তেমনই ভিন্ন ভিন্ন উৎসবে এদেশ আনন্দময়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উৎসবে মেতে ওঠে এ দেশের মানুষ। তাই এ দেশকে বলা যায় উৎসবের দেশ। উৎসবের প্রকারভেদ : 'উৎসব' বলতে মূলত আনন্দময় অনুষ্ঠানকে বোঝায়। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের উৎসবের প্রচলন রয়েছে। উৎসবগুলো বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক-একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের উৎসবগুলোকে প্রধানত কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যেমন- ১. ধর্মীয়, ২. সামাজিক, ৩. জাতীয় ও ৪. সাংস্কৃতিক উৎসব।নিচে এগুলো সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো: ১. ধর্মীয় উৎসব : সাধারণত ধর্মীয় উৎসবগুলো এক-একটি ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভাবনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ধর্মীয় উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে মুসলমানদের ঈদ-উল-ফিতর, ঈদ-উল-আজহা, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী, মহররম, হিন্দুদের দুর্গাপূজা, কালীপূজা, সরস্বতী পূজা, বৌদ্ধদের বুদ্ধ পূর্ণিমা, খ্রিষ্টানদের বড়দিন প্রভৃতি প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদ : মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদ। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। ঈদ আসে আনন্দ আর মিলনের বার্তা নিয়ে। মানুষ ভুলে যায় হিংসা-বিদ্বেষ, দুঃখ-বেদনা। বাংলাদেশে বেশ সাড়ম্বরে পালিত হয় ঈদ। ঈদ আসে বছরে দু'বার। প্রথমে আসে ঈদ-উল-ফিতর, পরে ঈদ-উল-আজহা। ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী : বিশ্বনবি হজরত মুহম্মদ (স.)-এর জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রতি বছর ১২ রবিউল আউয়াল তারিখটি ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করা হয়। ঈদ অর্থ খুশি আর মিলাদুন্নবী শব্দের অর্থ হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জন্ম। তাই ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী শব্দের অর্থ মহানবির জন্মের খুশি। দুর্গাপূজা : হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলো দুর্গাপূজা। শরৎকালে এ পূজা হয়। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী- এই তিন দিন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। দশমীর দিন দেবীর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। নদীর জলে দেবীর মূর্তি বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুর্গাপূজা। বুদ্ধ পূর্ণিমা : বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এর অন্য নাম বৈশাখী পূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের বোধি লাভের পুণ্যস্মৃতি বিজড়িত এই দিনটি। বড়দিন: বাংলাদেশের খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা পালন করে বড়দিন। যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তারা এ উৎসব পালন করে থাকে। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর এ উৎসব উদ্যাপন করা হয়। ২. সামাজিক উৎসব: বাংলাদেশ উৎসবের দেশ। এ দেশে নানা ধরনের সামাজিক উৎসব রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বাংলা নববর্ষ, হালখাতা, বিবাহ, ভাইফোঁটা, অন্নপ্রাশন, খৎনা, জন্মদিন, নবান্ন, পৌষপার্বণ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। বাংলা নববর্ষ: বাংলাদেশের একটি প্রধান সামজিক উৎসব হলো বাংলা নববর্ষ। পুরোনো দিনের দুঃখ, ব্যথা, ক্লান্তি, গ্লানি ভুলে নতুনকে বরণ করার উৎসব এই বাংলা নববর্ষ। বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক। এদিক থেকে এ দিনটি প্রতিটি বাঙালির জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. জাতীয় উৎসব: একুশে ফেব্রুয়ারি: একুশে ফেব্রুয়ারি বা শহিদ দিবস আমাদের কাছে শোকের প্রতীক। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে শহিদ হন রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ অনেকে। তাঁদের স্মৃতিকে স্মরণ করা এবং তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে আমরা এ দিনটিকে পালন করি। 'স্বাধীনতা দিবস: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা বাঙালিদের ওপর সশস্ত্র হামলা করে অসংখ্য ব্যক্তিকে হত্যা করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাঙালিদের নিশ্চিহ্ন করা। ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। আমরা সাড়ম্বরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করি। বিজয় দিবস: দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের দেশ শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন হয়। এ কারণে এই দিনটিকে আমরা বিজয় দিবস হিসেবে পালন করি। ৪. সাংস্কৃতিক উৎসব : বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনেক দিনের পুরোনো। তবে এর আধুনিকায়নও ঘটেছে। আধুনিককালে এর পরিসরও অনেক বেড়েছে। বইমেলা: সারা বছরে ও পূর্ব প্রকাশিত সৃজনশীল গ্রন্থ নিয়ে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। বইমেলা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উৎসবগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বইমেলার আয়োজন করা হয়। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বইমেলা হলো ঢাকার বাংলা একাডেমির 'একুশের বইমেলা'। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলে এই মেলা। উৎসবের গুরুত্ব: প্রতিটি মানুষের জীবনে উৎসবের তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর ও ব্যাপক। বাঙালি স্বাধীন জাতি। আমাদের রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। উৎসবের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি সুস্পষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়। উপসংহার: মানুষের বেদনাবিধুর, কর্মব্যস্ত, একঘেয়ে জীবনে উৎসব আনন্দের সঞ্চার করে। অবসাদ ও গ্লানি দূর করে আমাদের এক নতুন জীবন দান করে। তাই মানুষের জীবনে উৎসবের প্রয়োজন আছে। তবে মনে রাখতে হবে- উৎসব মানেই কেবল উল্লাস নয়, আনন্দ মানেই কেবল যথেচ্ছাচার নয়। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের দেশে অনেকেই উৎসবের নামে করছে যথেচ্ছাচার। এজন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আমাদের উৎসবের যে মহান মূল্যবোধ আমাদের চলতে সাহায্য করেছে, আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে তাকে আবার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ বিষয়ে আমরা সচেতন হলেই গড়ে উঠবে এক জাতি, এক প্রাণ ও একতা।

উত্তর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকা: বাংলাদেশ নদীমাতৃক একটি বদ্বীপ অঞ্চল। ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে প্রায়ই বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে থাকে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, খরা, নদীভাঙন, শিলাবৃষ্টি, ভূমিধস প্রভৃতি দুর্যোগ এদেশের মানুষের জন্য বড় হুমকি। এসব দুর্যোগ দেশের অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের জীবনে ভয়াবহ ক্ষতির সৃষ্টি করে। কালবৈশাখি: বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছরই কালবৈশাখির ফলে বাংলার বহু এলাকা বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ের তান্ডবলীলায় গাছপালা, ঘরবাড়ি ভেঙে যায়। মারা যায় হাজার হাজার গরু-বাছুর, পাখপাখালি, মানুষ হয় অসহায়। অনেকসময় মানুষেরও প্রাণহানি ঘটে। বৈশাখ মাসে কালবৈশাখি আঘাত হানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। বন্যা: বন্যা বাংলাদেশে প্রায় প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের রূপ নিয়ে দেখা দেয়। ছোটখাটো প্লাবনকে আমরা বলি বর্ষা। সেই প্লাবন যখন বিশাল আকার ধারণ করে তখন তাকে বন্যা বলা হয়। দেশের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে ভেসে যায়। কোনো কোনো বছর তা ভয়ংকর রূপ নেয়। ধ্বংস হয় শত শত গ্রাম। মারা যায় গরু, বাছুর, মানুষ। নষ্ট হয় হাজার হাজার একর জমির ফসল। ১৯৭৪, ১৯৮৭ সালের বন্যায় আমাদের দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। ১৯৮৮ সালের বন্যা ছিল বাংলাদেশের স্মরণকালের ভয়াবহতম বন্যা, যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন ছিল। সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস: সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় বছরই জলোচ্ছ্বাস হয়। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিগত ১৮৫ বছরে বাংলাদেশে ৫১ বার সাইক্লোন সংঘটিত হয়েছে। ১৯৭০ সালের সাইক্লোন বা জলোচ্ছ্বাস সবাইকে হতবাক করে দেয়। সেই ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল আড়াইশ কিলোমিটার। ১৯৮৫ সালেও বাংলাদেশের দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে হানা দেয় সর্বনাশা সাইক্লোন। সাইক্লোনের প্রচন্ড আঘাতে উড়ির চর এলাকা বিধ্বস্ত হয়। সেই সময়ে প্রায় দেড় লাখের মতো লোক প্রাণ হারায় এবং ধ্বংস হয় জমির ফসল ও অসংখ্য ঘরবাড়ি। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে সংঘটিত হয় স্মরণকালের আরও এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। বাংলাদেশের ১৬টি জেলার প্রায় ৪৭টি থানা বিধ্বস্ত হয়। ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে এই ঝড় হ্যারিকেনের রূপ নিয়ে ২০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। ওই প্রলয়ংকরী জলোচ্ছ্বাসে প্রায় পাঁচ লাখ লোক মারা যায়। টর্নেডো: বাংলাদেশে প্রায় বছরই টর্নেডো বা আকস্মিক ঘূর্ণিবায়ু মারাত্মকভাবে আঘাত হানে। ২০০৪. সালের এপ্রিল মাসে স্মরণকালের ইতিহাসে ভয়াবহতম টর্নেডো আঘাত হানে বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলা ও তার আশেপাশের জেলাগুলোতে। এতে বহু প্রাণহানি ঘটে।ধ্বংস হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। মারা যায় হাজার হাজার গবাদিপশু। শিলাবৃষ্টি: শিলাবৃষ্টি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি। প্রায় বছরই ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। ফলে বিভিন্ন প্রকার ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশেষ করে ইরি ধানের মৌসুমে শিলাবৃষ্টি হলে কৃষকের দুঃখ-দুর্দশার সীমা থাকে না। চারা অবস্থায় শিলাবৃষ্টি হলে ধানের ফলন অনেক কম হয়। ধান বের হওয়ার পর শিলাবৃষ্টি হলে ধান চিটা হয় এবং ঝরে যায়। ভূমিকম্প: বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিবছর ভূমিকম্প হয়। এতে কিছু পরিমাণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয় এবং দালানকোঠা, ঘরবাড়ি ধসে যায়। অনেক সময় ধসে যাওয়া ঘরবাড়ির নিচে চাপা পড়ে মানুষ ও-গরু-ছাগল প্রাণ হারায়। নদীভাঙন: নদীভাঙন বাংলাদেশের একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। দেশের অনেক এলাকা নদীভাঙনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন-পদ্মার তীরে বসবাসকারী লোকেরা নদীভাঙনের ফলে অনেক ক্ষেত্রে সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়। যমুনা নদীর ভাঙনেও অনেক পরিবার সর্বহারা হচ্ছে। খরা: বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশে প্রায় বছরই খরা বা অনাবৃষ্টি দেখা দেয়। যে বছরে খরা বা অনাবৃষ্টি দেখা দেয়, সেই বছর প্রায় সব রকম ফসলেরই ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। খরা বা অনাবৃষ্টি বাংলাদেশের জন্য একটি মারাত্মক ক্ষতিকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। অতিবৃষ্টি: কৃষিপ্রধান দেশে অতিবৃষ্টির ক্ষতিকর দিক কম নয়। বাংলাদেশে প্রায় বছরই অতিবৃষ্টির প্রকোপ দেখা দেয়। অতিবৃষ্টির ফলে ফসলের জমি পানিতে ডুবে যায়, কিংবা জমি থেকে পানি নিষ্কাশন দেরিতে হয়। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। দুর্যোগ মোকাবিলার উপায় বিভিন্ন উপায়ে এসব দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায়। দুর্যোগ মোকাবিলার প্রধান উপায়গুলো নিম্নরূপ:◉ দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীবাহিনী গঠন করা।◉ জাতীয় ভিত্তিতে দুর্যোগ মোকাবিলা করার নীতিমালা, পরিকল্পনা ও কর্মপদ্ধতি প্রণয়ন করা।◉ দুর্যোগ ঘটার পর দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি ও চাহিদা নিরূপণের ব্যবস্থা করা।◉ তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থাকে উন্নত করা।◉ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে রক্ষার জন্য মজবুত বাঁধ, সাইক্লোন শেল্টার ও উঁচু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। উপসংহার: দুর্যোগ সব সময়ই প্রাণিজগতের জন্য বিপদ ডেকে আনে। তাই যেকোনো দুর্যোগের সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে যাওয়া মানবতার কাজ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সরকার অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ফলে আমরা ভবিষ্যতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সময়োপযোগী দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণে সক্ষম হতে পারব।
SSCবাংলা ২য় পত্র
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.ভাষার মূল উপকরণ কী?

Dinajpur · 2016

  • ধ্বনি
  • শব্দ
  • বাক্য
  • বর্ণ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোন বাক্যটি সাপেক্ষ ভাব প্রকাশ করছে?

Dinajpur · 2016

  • আমাকে বই দাও।
  • যদি সে যেত, আমি আসতাম।
  • তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হোক।
  • রেবা ভাল গান করে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের কোনটি গুণবাচক বিশেষ্য?

Dinajpur · 2016

  • দর্শন
  • মধুর
  • তরল
  • তিক্ততা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বর্তমানে পৃথিবীতে কত ভাষা প্রচলিত আছে?

Dinajpur · 2016

  • আড়াই হাজারের বেশি
  • দুই হাজারের বেশি
  • সাড়ে তিন হাজারের বেশি
  • তিন হাজারের বেশি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.নিচের কোনটিতে 'অপত্য' অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?

Dinajpur · 2016

  • মধুর
  • বৈষ্ণব
  • পার্থিব
  • মানব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি?

Dinajpur · 2016

  • প্রত্যেক
  • মার্তণ্ড
  • স্বল্প
  • তন্বী

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাক্যের অর্থ-সংগতি রক্ষার জন্য পরোক্ষ উক্তিতে কোন পদের পরিবর্তন করতে হয়?

Dinajpur · 2016

  • বিশেষ্যের
  • অব্যয়ের
  • বিশেষণের
  • সর্বনামের

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের কোন বানানটি সঠিক?

Dinajpur · 2016

  • জিনিষ
  • পোষ্ট
  • পোষাক
  • প্রতিষেধক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে- বাক্যটিতে ব্যবহৃত হয়েছে?

Dinajpur · 2016

  • যৌগিক ক্রিয়া
  • নামধাতুর ক্রিয়া
  • প্রযোজক ক্রিয়া
  • মিশ্র ক্রিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে কী বলে?

Dinajpur · 2016

  • সাধিত ধাতু
  • মৌলিক ধাতু
  • কর্মবাচ্যের ধাতু
  • নামধাতু

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হিসেবে গরমিল থাকলে খাসমহল লাটে উঠবে-এ বাক্যের উপসর্গগুলো হলো-

Dinajpur · 2016

  • তৎসম
  • বাংলা
  • ফারসি
  • আরবি

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বচনবাচক শব্দটির আগে বসে কোনটি?

Dinajpur · 2016

  • গোটা
  • খানা
  • খানি
  • টা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।