উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি স্বাধীনতা অর্জনে সর্বস্তরের বাঙালির সংগ্রামী চেতনা ও বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম অত্যাচারের দিকটি তুলে ধরেছেন। তারা এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালায়। ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ এদেশের সাধারণ মানুষকে তারা নির্বিচারে হত্যা করে, আগুন দিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি বস্তি পুড়িয়ে দেয়। নারীর ওপরে নেমে আসে নির্মম নির্যাতন। তাদের হাত থেকে নারী, শিশু, বৃদ্ধ কেউ রেহাই পায়নি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশে নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলায় মেতে উঠেছিল।
উদ্দীপকে রহিমন বিবি মুক্তিযুদ্ধে স্বামী, সন্তান হারিয়ে দুঃখের সাগরে ভাসতে দেখা যায়। তিনি পাকিস্তানি হানাদারদের নির্যাতনের সাক্ষী হয়েছেন। দেখেছেন নদী, রাস্তা-ঘাট, বন-জঙ্গলের সর্বত্রই লাশের ছড়াছড়ি। অগণিত মানুষ তখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দূরদূরান্তে পাড়ি জমিয়েছে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায়ও হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ছাত্রাবাস, বস্তি ছারখার করেছে। পুড়িয়ে দিয়েছে গ্রাম ও শহর। তারা নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছে বাঙালি জাতিকে। এভাবে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার চিত্র উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।