"কোনো কোনো সময় মানুষের ইন্দ্রিয় অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ হয়ে যায়।"- উক্তিটি কার এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
উত্তর: "কোনো কোনো সময় মানুষের ইন্দ্রিয় অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে"- উক্তিটি সফদরউল্লাহর অন্ধকারে হাঁটা প্রসঙ্গে লেখক করেছেন। '১৯৭১' উপন্যাসের নীলগঞ্জের নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর প্রতীক সফদরউল্লাহ। ঝড়ের রাতে মিলিটারি ও রাজাকার সম্মিলিত চক্র মিলে তার স্ত্রী ও শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরে সফদরউল্লাহ পরিস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে। গভীর রাতে হাতে ধারালো দা নিয়ে সে স্ত্রীর ও শ্যালিকার শ্লীলতাহানির প্রতিশোধ নিতে বেরিয়ে পড়ে। অন্ধকার রাতে শুধু তারার আলোয় সে রাজাকার ও মিলিটারি সুবাদারদের খুঁজছে। কেননা এ দুজনই তার স্ত্রী ও শ্যালিকার শ্লীলতাহানির জন্য দায়ী। মিলিটারি সুবাদার দেখতে তালগাছের মতো লম্বা, আর রাজাকারটি বাঙালি। অন্ধকারে হাঁটতেও - তার অসুবিধা হচ্ছ না। প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের তীব্রতায় তার ইন্দ্রিয় অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে, ফলে অন্ধকারেও সে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে সক্ষম হয়েছে। আলোচ্য উক্তিটি দ্বারা লেখক সফদরউল্লাহর প্রতিশোধস্পৃহাকে ইঙ্গিত করেছেন।
SSC বাংলা ১ম পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · সৃজনশীল
"কোনো কোনো সময় মানুষের ইন্দ্রিয় অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ হয়ে যায়।"- উক্তিটি কার এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
উত্তর