'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মৌলিক প্রেরণা উদ্দীপকের চিত্রকল্পে কীভাবে ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা করো।
উত্তর: 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ মানুষ ও সভ্যতার নশ্বরতা বা ক্ষণস্থায়িত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। যুগের পর যুগ প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে একই রূপে বিরাজ করছে। সেই আদিকালে প্রকৃতির যে রহস্য ও সৌন্দর্য ছিল আজও তাই আছে। মানুষের জীবন ও মানব সভ্যতা প্রকৃতির মতো চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর কাছে পরাজয় মেনে মানুষকে এক সময় পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়। মানুষের হাতে সৃষ্ট সভ্যতা কালের আবর্তনে বিলীন হয়ে যায়। যেমন এশিরিয়া ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আজ ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু প্রকৃতির কোনো ধ্বংস বা ক্ষয় নেই। অর্থাৎ প্রকৃতি অবিনশ্বর কিন্তু মানুষ ও সভ্যতা অবিনশ্বর নয়।উদ্দীপকে জীবনের নশ্বরতার দিকটি ফুটে উঠেছে। অর্থাৎ মানবজীবন অবিনশ্বর নয়। তাই পৃথিবীর মায়া-মমতার প্রতি মানবমনে গভীর আকুলতা প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকের কবি এ পৃথিবী থেকে একদিন বিদায় নিবেন। তাই তিনি আশঙ্কাবোধ করছেন যে, আকাশের শুকতারা, হেলেঞ্চার ঝোঁপ থেকে আসা জোনাকি পোকা, বাঁশবন প্রভৃতি অনুষঙ্গ উপভোগ করতে পারবেন না। মৃত্যুর মাধ্যমে গভীর আঁধারে কবি ডুবে যাবেন। পূর্ণিমার রাত আর দেখতে পাবেন না। কারণ কবির জীবনের নশ্বরতা রয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায়ও মানুষের জীবন ও সভ্যতার নশ্বরতার কথা বলা হয়েছে। তাই 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মৌলিক প্রেরণা মানুষ ও সভ্যতার নশ্বরতা উদ্দীপকের চিত্রকল্পে ফুটে উঠেছে।
SSC বাংলা ১ম পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · সৃজনশীল
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মৌলিক প্রেরণা উদ্দীপকের চিত্রকল্পে কীভাবে ফু…
উদ্দীপক
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর