শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা- উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতৃষ্ণাকে অভিন্ন বলা যায় কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা-উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতৃষ্ণাকে অভিন্ন বলা যায়।'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির অবিনশ্বরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। প্রকৃতি অবিনশ্বর হলেও মানুষের জীবন অবিনশ্বর নয়। তাই ক্ষণিকের এ জীবনে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার স্বাদ মেটে না। মানুষের মন চায় এ প্রকৃতিকে ভালোবাসতে। কবি জীবনানন্দ দাশ একজন প্রকৃতিপ্রেমিক কবি। প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়েছে। কবি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও প্রকৃতির প্রতি তার ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না। প্রকৃতির মতো কবির ভালোবাসাও অবিনশ্বর। প্রকৃতিপ্রেমের কোনো নশ্বরতা বা ক্ষয় নেই।উদ্দীপকের কবির মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি প্রকতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের প্রতি ভালোবাসার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আকাশের শুকতারা, জোনাকি পোকার মিটিমিটি আলো, পূর্ণিমা রাত কবির অন্তরে মিশে আছে। প্রকৃতির এ অনুষঙ্গগুলো কবিকে বিমোহিত করেছে। কবি হৃদয় দিয়ে এ অনুষঙ্গগুলোকে ভালোবেসেছেন। কবি একদিন মৃত্যুর অমিয় সুধা পান করবেন। কবি চিরতরে এ পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার মাধ্যমে তার জীবন ফুরিয়ে গেলেও ভালোবাসা ফুরাবে না। কবির ভালোবাসার কোনো শেষ বা অবসান নেই।পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার উভয় কবির জীবনতৃষ্ণা এক ও অভিন্ন। স্থান, কাল, পাত্রভেদে কিছুটা বাহ্যিক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলেও মৌলিক চিন্তা-চেতনায় কোনো পার্থক্য নেই। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির অত্যুজ্জ্বল প্রকৃতিপ্রেম ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার মতোই কবির ভালোবাসা বা স্বপ্ন অবিনশ্বর। আবার উদ্দীপকের কবিও প্রকৃতির প্রতি প্রেমাসক্ত। প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের প্রতি তার গভীর অনুরাগ রয়েছে। উদ্দীপকের কবির এ প্রকৃতিপ্রেম চিরন্তন ও অবিনশ্বর। তাই আমরা বলতে পারি, উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতফা অভিন্ন।

SSC বাংলা ১ম পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · সৃজনশীল

উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা- উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতৃষ্ণাকে অভি…

উদ্দীপক

মনে হয় একদিন আকাশের শুকতারা দেখিব না আর; দেখিব না হেলেঞ্চার ঝোঁপ থেকে একঝাড় জোনাকি কখন নিভে যায়- দেখিব না আর আমি এই পরিচিত বাঁশবন, শুকনো বাঁশের পাতা-ছাওয়া মাটি হয়ে যাবে গভীর আঁধার আমার চোখের কাছে- লক্ষ্মীপূর্ণিমার রাতে সে কবে আবার।

Dhaka · 2023

উত্তর

লক্ষ্মীপেঁচার কণ্ঠে মঙ্গলবার্তা ধ্বনিত হয়।

উত্তর

'সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে।'- বলতে কবি জগতের সৌন্দর্যের মতো মানুষের স্বপ্নের বেঁচে থাকাকে বুঝিয়েছেন। সভ্যতার বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ কখনোই হারিয়ে ফেলবে না। কবি যখন থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। কারণ, পৃথিবীতে মানবকল্যাণের বাণী বা কল্যাণকর্ম কোনো কিছুই বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তিমানুষ হারিয়ে যায়। কারও মৃত্যুতেই পৃথিবীর গতিময়তা ও প্রকৃতির স্বাভাবিকতার কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। কবি মনে করেন তিনি না থাকলেও প্রকৃতির সবকিছুই তার নিয়মে স্বাভাবিকভাবেই চলবে।

উত্তর

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ মানুষ ও সভ্যতার নশ্বরতা বা ক্ষণস্থায়িত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। যুগের পর যুগ প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে একই রূপে বিরাজ করছে। সেই আদিকালে প্রকৃতির যে রহস্য ও সৌন্দর্য ছিল আজও তাই আছে। মানুষের জীবন ও মানব সভ্যতা প্রকৃতির মতো চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর কাছে পরাজয় মেনে মানুষকে এক সময় পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়। মানুষের হাতে সৃষ্ট সভ্যতা কালের আবর্তনে বিলীন হয়ে যায়। যেমন এশিরিয়া ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আজ ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু প্রকৃতির কোনো ধ্বংস বা ক্ষয় নেই। অর্থাৎ প্রকৃতি অবিনশ্বর কিন্তু মানুষ ও সভ্যতা অবিনশ্বর নয়।উদ্দীপকে জীবনের নশ্বরতার দিকটি ফুটে উঠেছে। অর্থাৎ মানবজীবন অবিনশ্বর নয়। তাই পৃথিবীর মায়া-মমতার প্রতি মানবমনে গভীর আকুলতা প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকের কবি এ পৃথিবী থেকে একদিন বিদায় নিবেন। তাই তিনি আশঙ্কাবোধ করছেন যে, আকাশের শুকতারা, হেলেঞ্চার ঝোঁপ থেকে আসা জোনাকি পোকা, বাঁশবন প্রভৃতি অনুষঙ্গ উপভোগ করতে পারবেন না। মৃত্যুর মাধ্যমে গভীর আঁধারে কবি ডুবে যাবেন। পূর্ণিমার রাত আর দেখতে পাবেন না। কারণ কবির জীবনের নশ্বরতা রয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায়ও মানুষের জীবন ও সভ্যতার নশ্বরতার কথা বলা হয়েছে। তাই 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার মৌলিক প্রেরণা মানুষ ও সভ্যতার নশ্বরতা উদ্দীপকের চিত্রকল্পে ফুটে উঠেছে।

উত্তর

উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা-উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতৃষ্ণাকে অভিন্ন বলা যায়।'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির অবিনশ্বরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। প্রকৃতি অবিনশ্বর হলেও মানুষের জীবন অবিনশ্বর নয়। তাই ক্ষণিকের এ জীবনে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার স্বাদ মেটে না। মানুষের মন চায় এ প্রকৃতিকে ভালোবাসতে। কবি জীবনানন্দ দাশ একজন প্রকৃতিপ্রেমিক কবি। প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়েছে। কবি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও প্রকৃতির প্রতি তার ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না। প্রকৃতির মতো কবির ভালোবাসাও অবিনশ্বর। প্রকৃতিপ্রেমের কোনো নশ্বরতা বা ক্ষয় নেই।উদ্দীপকের কবির মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি প্রকতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের প্রতি ভালোবাসার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আকাশের শুকতারা, জোনাকি পোকার মিটিমিটি আলো, পূর্ণিমা রাত কবির অন্তরে মিশে আছে। প্রকৃতির এ অনুষঙ্গগুলো কবিকে বিমোহিত করেছে। কবি হৃদয় দিয়ে এ অনুষঙ্গগুলোকে ভালোবেসেছেন। কবি একদিন মৃত্যুর অমিয় সুধা পান করবেন। কবি চিরতরে এ পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার মাধ্যমে তার জীবন ফুরিয়ে গেলেও ভালোবাসা ফুরাবে না। কবির ভালোবাসার কোনো শেষ বা অবসান নেই।পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার উভয় কবির জীবনতৃষ্ণা এক ও অভিন্ন। স্থান, কাল, পাত্রভেদে কিছুটা বাহ্যিক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলেও মৌলিক চিন্তা-চেতনায় কোনো পার্থক্য নেই। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবির অত্যুজ্জ্বল প্রকৃতিপ্রেম ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার মতোই কবির ভালোবাসা বা স্বপ্ন অবিনশ্বর। আবার উদ্দীপকের কবিও প্রকৃতির প্রতি প্রেমাসক্ত। প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের প্রতি তার গভীর অনুরাগ রয়েছে। উদ্দীপকের কবির এ প্রকৃতিপ্রেম চিরন্তন ও অবিনশ্বর। তাই আমরা বলতে পারি, উদ্দীপক ও 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা উভয়ক্ষেত্রেই কবির জীবনতফা অভিন্ন।
SSCবাংলা ১ম পত্র
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.রাখিবন্ধন কখন অনুষ্ঠিত হয়?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কবি কোথায় অমর-আলয় রচনা করতে চেয়েছেন?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.চতুর্দশপদী কবিতার অষ্টকে থাকে-

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'নীল কমলেরা' বলতে বোঝায়-

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: আবু মুসা আব্দুল্লাহ আফগানিস্তানের অধিবাসী হলেও সে বিদেশি সেনাবাহিনীর গুপ্তচর হিসেবে কাজ করে। আফগানিস্তানী যোদ্ধাদের বিভিন্ন অবস্থান সম্পর্কে সে বিদেশি বাহিনীকে নানা রকম তথ্য প্রদান করে। বিদেশি বাহিনি তার স্বজাতীয় ভাইদের হত্যা করলেও তার বিন্দুমাত্র খারাপ লাগে না। Q. উদ্দীপকের সাথে কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ ভাব হলো- i. ভিনদেশিদের অত্যাচার ii. দেশীয় কতিপয় লোকদের বিশ্বাসঘাতকতা iii. যুদ্ধের ভয়াবহতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: আবু মুসা আব্দুল্লাহ আফগানিস্তানের অধিবাসী হলেও সে বিদেশি সেনাবাহিনীর গুপ্তচর হিসেবে কাজ করে। আফগানিস্তানী যোদ্ধাদের বিভিন্ন অবস্থান সম্পর্কে সে বিদেশি বাহিনীকে নানা রকম তথ্য প্রদান করে। বিদেশি বাহিনি তার স্বজাতীয় ভাইদের হত্যা করলেও তার বিন্দুমাত্র খারাপ লাগে না। Q. উদ্দীপকের আবু মুসা আব্দুল্লাহ 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কবি 'স্বপ্নকে' কীসের সাথে তুলনা করেছেন?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহিপীর কথ্যভাষা ব্যবহার না করার কারণ-

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মা ছেলের কোঁচে বেথুল বেঁধেছেন কেন?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.তিতুমীর কত সালে শহিদ হন?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নদীতে তাহেরা কেবলই কী দেখতে পায়?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.শুনহ মানুষ ভাই সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে তোমার পঠিত কোন রচনার সাদৃশ্য রয়েছে?

Dinajpur · 2016

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।