উদ্দীপকে 'বই পড়া' প্রবন্ধের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিপূর্ণ দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন- এ শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্রদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বিদ্যা গেলানো হয়। এর ফলে তারা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায় না। প্রকৃত শিক্ষায় তারা শিক্ষিত হতে পারে না।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটিপূর্ণ দিকের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। তাঁর মতে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থী না বুঝে মুখস্থ করে পরীক্ষায় পাশ করে। শিক্ষকরা তাদের জোর করে বিদ্যা গেলান। এতে করে শিক্ষা শুধু ব্যর্থ হয় না, অনেক স্থলে মারাত্মক আকার ধারণ করে। যেমনটি ঘটেছে উদ্দীপকের তোতা পাখির বেলায়। রাজা ও পণ্ডিতরা তাকে বইয়ের পাতায় মুখস্থ বিদ্যা শেখাতে গিয়ে তার ডানা ছেঁটে দেয়, তাকে শিকলে বেঁধে রাখে। অবশেষে যত্ন ও খাবারের অভাবে পাখিটি মারা যায়। তোতাপাখিটির মৃত্যু ও তোতাপাখিটিকে শিক্ষাদানের পদ্ধতি আমাদের আলোচ্য প্রবন্ধের ত্রুটিপূর্ণ দিকটিকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির ত্রুটিপূর্ণ দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।