উদ্দীপকে 'প্রত্যুপকার' গল্পে বর্ণিত খলিফার মাহাত্ম্য এবং নিচু প্রকৃতির লোকের ঈর্ষার দিকগুলো অনুপস্থিত থাকায় উদ্দীপকটি 'প্রত্যুপকার' রচনার সমগ্র ভাবকে ধারণ করেনি।
'প্রত্যুপকার' গল্পে দুজন মহৎ ব্যক্তির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, যাদের একজন নিঃস্বার্থ উপকারী, অন্যজন সকৃতজ্ঞ প্রত্যুপকারী। খলিফার মাহাত্ম্য ও নীচ প্রকৃতির লোকের ঈর্ষাও এ গল্পের অন্যতম দিক।
উদ্দীপকে ঈগল পাখির প্রত্যুপকার প্রকাশ পেয়েছে। বিপদের সময় ঈগলকে যে চাষি রক্ষা করেছিল, ঈগলও তার বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে প্রত্যুপকার করতে ভোলেনি। 'প্রত্যুপকার' রচনাতেও আলী ইবনে আব্বাস তার দুঃসময়ে যার সহযোগিতা পেয়েছিলেন, তার বিপদে তিনিও পাশে দাঁড়াতে ভোলেনি। এ দিক থেকে উদ্দীপক ও 'প্রত্যুপকার' গল্প সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে সাথে 'প্রত্যুপকার' রচনার প্রতি-উপকারের সাদৃশ্য থাকলেও এ রচনার মূলভাব আরও বিস্তৃত। এ গল্পে খলিফা মামুনের মাহাত্ম্য ও ন্যায়বিচারের বিচক্ষণ দিকটি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। তাছাড়া এ গল্পে রয়েছে নীচ প্রকৃতির লোকের ঈর্ষাবশত নির্দোষ ব্যক্তিকে দোষী সাজিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার কূটচক্রান্ত। উল্লিখিত এ বিষয়গুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায় উদ্দীপকটি এ গল্পের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না।