উদ্দীপক (i)-এ 'নিমগাছ' গল্পের যে দিক ফুটে উঠেছে তা হলো পরিবারের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাওয়ার পরও সমাদর না পাওয়া।
'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের প্রতীকে একজন গৃহবধূর অপরিসীম আত্মত্যাগের দিকটি তুলে ধরেছেন। নিমগাছ যেমন তার বাকল, পাতা, ছায়া ইত্যাদির মাধ্যমে সবাইকে উপকার করলেও বিনিময়ে পায় অবহেলা, অনাদর, তেমনই গৃহবধূও সবার প্রয়োজনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেও বিনিময়ে অবহেলায় তার দিন যায়। সংস্কারের কারণে সে কোথাও চলেও যেতে পারে না।
'নিমগাছ' গল্পে লেখক নিমগাছকে প্রতীক করে গৃহকর্মে নিপুণা বউটার অবস্থাই তুলে ধরেছেন। নিমগাছের মতোই সবাই শুধু তার সেবার অংশটুকুই নেয় কিন্তু কেউ তার যত্ন করে না, প্রশংসা করে না। তার এক সময় মনে হয় সবকিছু ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাবে। কিন্তু নিমগাছের শিকড়ের মতো সেও সংসারের মায়ায় আটকে গেছে তাই যেতে পারে না। উদ্দীপকেও এমনই একজনের কথা অবতারণা করা হয়েছে, যে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করে যায়। সামান্য ভুলে সবাই রাগারাগি করে। তারপরও সে মায়াজাল ছিন্ন করে যেতে পারে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (i)-এ 'নিমগাছ' গল্পের যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা হলো গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউয়ের অনাদর অবস্থা।