উদ্দীপকে 'নিমগাছ' গল্পের নারীর সম্ভাবনা, সৌন্দর্য ও শক্তিকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ উপেক্ষা ও ব্যবহার করে- এই দিকটিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
'নিমগাছ' গল্পে দেখা যায়, গাছটি চারপাশের সকলের উপকার করলেও কেউ তাকে প্রতিদান দেয় না। সবাই তার ছাল, পাতা, ডাল কেবল প্রয়োজনমতো ব্যবহার করে। নিমগাছের মতো অপরের কল্যাণে নারীরও রয়েছে অপরিসীম আত্মত্যাগ। কিন্তু অপরের কল্যাণে নিজেকে নিঃশেষ করে দিলেও নারী কখনো স্বীকৃতি পায় না।
উদ্দীপকে নারীর শক্তি, সম্ভাবনা, সৃজনশীলতা ও বিদ্রোহী সত্তার প্রতি আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে নারী যেন সমস্ত বাঁধন ছিন্ন করে নিজের স্বাধীন পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে। বিপরীতে 'নিমগাছ' গল্পে দেখা যায়- এক শক্তিশালী, উপকারী সত্তাকে, যে অবহেলা ও ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ; তার সৌন্দর্য বা ব্যক্তিত্ব কেউ মূল্যায়ন করে না। নিমগাছ যেমন সকলের নিঃস্বার্থ উপকার করেও আবর্জনার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে স্বীকৃতি পায় না, ঠিক তেমনই নারীও অপরের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেও কোনো মূল্যায়ন পায় না। তাই সার্বিক পর্যালোচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পটি হয়ে উঠেছে নারীকে উপেক্ষা করার ও প্রকৃত স্বীকৃতি না দেওয়ার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।