উক্ত গুণ তথা ক্ষমাশীলতার গুণ হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রকে আংশিক আলোকিত করে—'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ।
হযরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন ইসলামের সর্বশেষ, সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। তাঁর চরিত্রে প্রেম, ক্ষমা, মহত্ত্ব, মহানুভবতার মতো অজস্র গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি শত্রুকেও বুকে টেনে নিয়ে মানবপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।
উদ্দীপকে মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রের অন্যতম একটি দিকের পরিচয় ফুটে উঠেছে। এখানে কবি প্রেমের বাঁধনে চরম শত্রুকেও জড়িয়ে রাখেন। কবির বুকে যে আঘাত করে, তাকে কবি নিজের বুকে আগলে আপন করে নেন। 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-ও এভাবে শত্রুকে আপন করে নিয়েছিলেন। যারা তাঁর পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, তিনি তাদের পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন। তাদের ভালোবেসে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন।
হযরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন সর্বগুণের আধার। ক্ষমা, দয়া, পরোপকারিতা, প্রেম প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যে তাঁর চরিত্র ছিল মহিমান্বিত। উদ্দীপকের কবিতাংশে শুধু কবির প্রেমময় হৃদয়ের গুণটি প্রকাশ পেয়েছে, যা মুহম্মদ (স.)-এর অজস্র গুণাবলির মধ্যে একটি, আর তা হলো ক্ষমাশীলতা। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।