"জীবন-প্রদীপ নিভিয়া আসিছে অস্তরবির প্রায়”- এখানে 'অস্তরবির প্রায়' কথাটি দ্বারা বাদশাজাদা হুমায়ুনের জীবন সূর্যের অস্ত যাওয়া অর্থাৎ নিভে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের মহৎ দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে। সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের সমস্ত বিজ্ঞ হেকিম, কবিরাজ, দরবেশ দিন-রাত তার চিকিৎসায় ব্যস্ত। সেবা-যত্নের কোনো ত্রুটি নেই। অথচ বাদশাজাদার কঠিন রোগ কিছুতেই সারে না। যত দিন যাচ্ছে ততই দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। হুমায়ুনের জীবন-প্রদীপ অস্তায়মান সূর্যের মতো নিভে যেতে বসেছে। দিনের শেষে সূর্য যেমন পশ্চিম দিগন্তে হারিয়ে যায় তেমনই বাদশাজাদা হুমায়ুনের জীবনও শেষ হয়ে যাচ্ছে- কবি প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে এ কথাই বোঝাতে চেয়েছেন।