“বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের মা 'জীবন বিনিময়' কবিতার-সম্রাট বাবরের চেতনাকে ধারণ করে আছেন।"- যুক্তি দাও।
উত্তর: 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বর্ণিত সন্তানের সুস্থতার জন্য জীবনদানের বিষয়টি না থাকলেও সন্তানের প্রতি স্নেহ-কাতরতার উভয় ক্ষেত্রেই বিদ্যমান থাকায় আলোচ্য মন্তব্যটি যুক্তিযুক্ত। 'জীবন বিনিময়' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়- পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে মৃত্যুর পরাজয়। হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে পিতা বাবর তার জীবন দিয়ে সন্তানকে সুস্থ করে নিজে মৃত্যুকে বেছে নেয়। সন্তানের প্রতি পিতার অপরিসীম ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে কবিতাটিতে। উদ্দীপকের শায়লার মাঝেও প্রকাশ পেয়েছে সন্তানের প্রতি মায়ের স্নেহ-কাতরতা। ছোটো সন্তান সাফিন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন। কবিরাজ-ডাক্তার দেখান, আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। সন্তানের অসুখে এমন কাতরতা 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বর্ণিত বাদশা বাবরের চাঞ্চল্যের সঙ্গে সাদৃশ্যব্যঞ্জক। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বর্ণিত বাদশা বাবর সন্তানের সুস্থতার জন্য জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠিত হননি। উদ্দীপকের শায়লাও সন্তানের অসুস্থতায় দিশেহারা হয়েছেন। তিনি হয়তো প্রাণদানেও কার্পণ্য করতেন না। ফলে 'জীবন বিনিময়' কবিতার বাদশা বাবরের এবং শায়লার সন্তানের প্রতি স্নেহ-বাৎসল্যে মৌলিক পার্থক্য নেই। তাই বলা যায় যে, “বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের মা 'জীবন বিনিময়' কবিতার সম্রাট বাবরের চেতনাকে ধারণ করে আছেন।"-মন্তব্যটি যৌক্তিক।
SSC বাংলা ১ম পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · সৃজনশীল
“বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের মা 'জীবন বিনিময়' কবিতার-সম্রাট বাবরের চ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর