"পলাশের মনোভাবটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের মূলসুরেরই বহিঃপ্রকাশ।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর: "পলাশের মনোভাবটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের মূলসুরেরই বহিঃপ্রকাশ।"- উক্তিটি যথার্থ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে মানবজীবন সম্পর্কিত দর্শন বিধৃত হয়েছে। এখানে মানবজীবনের দুটি সত্তার কথা বলা হয়েছে এবং এ দুটি সত্তাই সমান প্রয়োজনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন আলোচ্য প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক। উদ্দীপকে পলাশের মনোভাবটি প্রশংসনীয়। কারণ সে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতে চায়। সে মনে করে জ্ঞানলাভ শুধু উপার্জনের মাধ্যম হলেও বিবেকের পূর্ণতার জন্য সে নিজেকে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। তার জীবনে শিক্ষা সোনা ফলাতে পেরেছে। সে অন্ন বা অর্থ নিগড়ে বন্দি থাকেনি। আলোচ্য প্রবন্ধের লেখকের মানসিকতাও অনুরূপ। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, জীবসত্তা মানুষকে জীবনধারণ করতে সহায়তা করে। আর মানবসত্তা জীবনকে উপভোগ ও আনন্দময় করে, মানবিক করে। এই মানবিক দিকটি প্রতীয়মান হয় পলাশের মনোভাবে। কারণ মানবসত্তা পলাশের মতো মানুষকে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর কিছু করার তাগিদ দেয়। তার মতো লোকদের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হয়। শিক্ষার প্রধান ভূমিকাই হলো মনুষ্যত্ব জাগিয়ে তোলা। যা পলাশের মনোভাবে লক্ষণীয় এবং সেটা প্রাবন্ধিকও চেয়েছেন। তাই যথার্থই বলা যায়, পলাশের মনোভাবটি আলোচ্য প্রবন্ধের মূলসুরের বহিঃপ্রকাশ।
SSC বাংলা ১ম পত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · সৃজনশীল
"পলাশের মনোভাবটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের মূলসুরেরই বহিঃপ্রকা…
উদ্দীপক
Chittagong · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর