দৃশ্যকল্প-১ এ '?' চিহ্নিত স্থানে কণার মানসিক যত্ন নির্দেশ করা হয়েছে।
গর্ভকালীন অবস্থায় মানসিক প্রফুল্লতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কনাকেও তাই সবসময় সুস্থতার শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নও নিতে হবে।
জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণের অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। মায়ের ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভ্রূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে। গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক চাপ, উদ্বেগ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না। তাই গর্ভবতী মায়ের শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। গর্ভবতী মা যাতে আনন্দিত থাকেন সেদিকে সকলের চেষ্টা থাকা প্রয়োজন। মন ভালো রাখার জন্য গর্ভবর্তী মাকে পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখতে হবে। সর্বদা প্রফুল্লচিত্তে থাকার চেষ্টা করতে হবে ভালো ভালো বই পড়তে হবে, ছবি দেখতে হবে। সবসময় ইতিবাচক থাকতে হবে।