উদ্দীপকে ? স্থানে গর্ভবতী নারীর প্রসব জটিলতা নির্দেশ করা হয়েছে। প্রসব জটিলতার কারণে মস্তিষ্কের আঘাতে শিশুদের উপর দীর্ঘমেয়াদি কুফল দেখা যায়। শুধু তাই নয়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এসব শিশুর মধ্যে বুদ্ধিহীনতা এবং ত্রুটিপূর্ণ ব্যক্তিত্বের লক্ষণও প্রকাশ পেতে থাকে। প্রসবকালীন যাতে ভ্রূণের মস্তিষ্কের উপর চাপ না পড়ে- যদি এরূপ কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়, তাহলে শিশুদের মস্তিষ্কের ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসব, না যন্ত্র ব্যবহার করা হবে জানা থাকলে চিকিৎসকরা সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন । তাহলে প্রসবকালীন জটিলতা এড়ানো সম্ভব। জন্মকালীন শিশুর মস্তিষ্কে যদি অক্সিজেন সরবরাহ যথেষ্ট না থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করলে শিশু অন্যান্য জটিলতা যেমন-অন্ধত্ব থেকে রক্ষা পেতে পারে। অতিমাত্রায় অক্সিজেন অধিক সময় ধরে প্রয়োগ করলে শিশু অন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ সমস্যা সাধারণত অত্যন্ত কম ওজনের অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রেই ঘটে। প্রসবকালীন জটিলতায় অক্সিজেন পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করে মস্তিষ্কের ঘাটতিজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ব্রিচ প্রসবের (Breech birth) ক্ষেত্রে শিশুর পেছন দিক ও পা মায়ের জরায়ুর নিচের দিকে নামে ও প্রথমে বের হয়। ব্রিচ প্রসব কষ্টকর, তাই যন্ত্র দ্বারা শিশুকে ভূমিষ্ঠ করানো হয়। ব্রিচ প্রসব সতর্কতার সাথে করানো উচিত এবং কোনো অসুবিধা দেখা দিলে অপারেশন করা প্রয়োজন।
উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, দ্রুত সেবা গ্রহণই হলো প্রসব জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায়।