রাতুল পারিবারিক সংকটের শিকার।
পারিবারিক সংকটে পরিবারের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেসব বাবা-মার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে সেসব পরিবারের সন্তানেরা সাধারণত আক্রমণাত্মক, মারমুখী, অবিশ্বাসী ও অনির্ভরযোগ্য হয়।
পারিবারিক ভাঙনের ক্ষতির প্রভাব দেখা যায় রাতুলের জীবনে। মা-বাবার বিচ্ছেদের কারণে সে বিষণ্ণ থাকে। প্রায়ই সে স্কুল থেকে পালিয়ে আসে। এ কারণে বার্ষিক পরীক্ষায় তার ফলাফল খুবই খারাপ হয়েছে। এ সবকিছুর পেছনে দায়ী তার বাবা-মার বিচ্ছেদ। এর কারণে শিশু যদি বাবা অথবা মা যেকোনো একজনের কাছে থাকে তবে আরেকজনকে হারানোর ভয়ে সে শঙ্কিত হয়। শিশুরা অনেক সময় স্কুলের বন্ধু- বান্ধবদের বিদ্রুপ এড়ানোর জন্য ঘরকুনো ও অন্তর্মুখী হয়ে ওঠে।এছাড়া পরিবার ভাঙনে শিশুরা হতাশাগ্রস্ত হয়। তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা দেখা যায়। যেমন- স্কুল পালানো, চুরি করা, মারামারি ইত্যাদি বিষয়ে তারা জড়িয়ে পড়ে।