উদ্দীপকে যে সমস্যাটি ফুটে উঠেছে তা হলো বেকারত্ব। এ সমস্যা সমাধানে আমার সুপারিশসমূহ নিম্নরূপ-
বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। তাই শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন, বিশেষ করে কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে অবশ্যই উৎপাদনশীল এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের উপযোগী হতে হবে। এর পাশাপাশি অর্থনীতিকে সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে হবে। কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রে উন্নয়ন ছাড়া বেকার সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, ভূমি- মালিকানার কাঠামোগত পরিবর্তন, পরিকল্পিতভাবে শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কৃষি ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়া বেকারদের যুব উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দানের ব্যবস্থা করতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারি সংস্থাসমূহের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহের কার্যক্রমও জোরদার করতে হবে। দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক বেকারের কর্মসংস্থান সম্ভব ।
উদ্দীপকের বর্ণনায় লক্ষণীয়, দেশে প্রচুর উচ্চশিক্ষিত তরুণ বেকার রয়েছে, যারা নির্দিষ্ট কাজের জন্য দক্ষ নয়। অর্থাৎ তারা শিক্ষিত হলেও কারিগরি, কর্মমুখী ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার অভাবে দেশে ও দেশের বাইরে উপযুক্ত কাজ পাচ্ছে না। এ বেকার সমস্যার সমাধানে শ্রম সরবরাহের উন্নয়ন ঘটানো, পরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণ, কারিগরি শিক্ষা, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নানা পদক্ষেপ ও দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।