দৃশ্যপট-১ এ বায়ুদূষণের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
বাতাসে যখন দূষিত পদার্থের পরিমাণ এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, যা মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে সেই বাতাসকে দূষিত বায়ু বলে। বায়ুতে ভাসমান ধূলি-বালি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, সালফার অক্সাইড ইত্যাদি দ্রব্যগুলোকে বায়ুর দূষিত পদার্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলে যদি এমন কোনো উপাদানের অনুপ্রবেশ ঘটে, যার ফলে উদ্ভিদ প্রাণী বা মানুষের ক্ষতি হয় বা ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন তাকে বায়ুদূষণ বলে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ইটভাটা, কলকারখানা এবং যানবাহনের কালো ধোঁয়া, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ইত্যাদি কারণে বায়ুদূষণ হয়ে থাকে।
উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ এ ইটভাটার কালো ধোঁয়া, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কলকারখানার কালো ধোঁয়া, বাতাসে বালির পরিমাণ বৃদ্ধি উল্লেখ করা হয়েছে। আর এসব কারণেই বায়ুদূষণ হয়ে থাকে। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১ দ্বারা মূলত বায়ুদূষণকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।