ঘটনা-২ এর সমস্যা তথা মাদকাসক্তি নিরসনে প্রতিকার, প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
মাদকাসক্তি মোকাবিলায় নানামুখী প্রতিরোধ ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পরিবার এক্ষেত্রে প্রাথমিক. ও মুখ্য ভূমিকা পালন করে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে ব্যক্তি অসৎ সঙ্গীদের প্রভাব মুক্ত থাকতে পারে। নৈতিক শিক্ষার প্রতিও পরিবারকে গুরুত্বারোপ করতে হবে। বিদ্যালয়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের প্রয়োজনীয় জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম, প্রচার মাধ্যমে মাদকদ্রব্যের নেতিবাচক দিক সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। মাদকাসক্তি প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগকেও কাজে লাগাতে হবে। মাদক বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে শুমারি হওয়া উচিত। মাদকদ্রব্যের চোরাচালান, বিক্রয়, বিপণন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা যেমন-পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া মাদকাসক্তি নিরাময় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমাজকর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মাদকাসক্তি নামক সমস্যা থেকে উত্তরণে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।