ঘটনা-২ বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা নিরক্ষরতাকে নির্দেশ করছে।
নিরক্ষরতা কথাটির উদ্ভব ঘটেছে 'নিরক্ষর' শব্দ থেকে। 'নিরক্ষর' এর শাব্দিক অর্থ হলো সাক্ষরজ্ঞানের অভাব। সাক্ষরতার আধুনিক ধারণা অনুযায়ী মাতৃভাষায় পড়তে, লিখতে পারা, দৈনন্দিন হিসাব করতে পারা এবং লিখে রাখার ক্ষমতাই হলো সাক্ষরতা। যিনি উল্লিখিত তিনটি যোগ্যতার অধিকারী নন তিনি নিরক্ষর। মূলত নিরক্ষর হলো সেই ব্যক্তি যে লিখতে ও পড়তে পারে না । আর অক্ষরজ্ঞানের অভাবই হলো নিরক্ষরতা । ইউনেস্কোর মতে, “দৈনন্দিন জীবনের ক্ষুদ্র ও সাধারণ বক্তব্যকে উপলব্ধি সহকারে লিখতে এবং পড়তে অক্ষম ব্যক্তিই নিরক্ষর।”
ঘটনা-২ এ বলা হয়েছে, ৭ বছর বয়সি এবং তদুর্ধ্ব যারা লিখতে ও পড়তে জানে না। ঘটনা-২ এর এ তথ্য নিরক্ষরতাকেই নির্দেশ করে। কেননা নিরক্ষর ব্যক্তি লিখতে ও পড়তে জানে না। তাই বলা যায়,
ঘটনা-২ বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা নিরক্ষরতারই নির্দেশক।