উদ্দীপকে জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্য নির্দেশিত হয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
জেন্ডার হচ্ছে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা নারী পুরুষের পরিচয়। জেন্ডারের ভিত্তিতে সমাজ জীবনে বিভিন্ন বৈষম্য সৃষ্টি হয়। এসব বৈষম্যের মধ্যে জন্মগত, সম্পত্তির উত্তরাধিকারের, শিক্ষাক্ষেত্রে, শ্রমমূল্যে, চাকরি ক্ষেত্রে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পিতৃতান্ত্রিক সমাজে অধিকাংশ পরিবারের একটি পুত্র সন্তানকে যেমন আনন্দের সাথে পরিবারের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় কন্যা সন্তানের ভাগ্যে তেমনটি জোটে না। কন্যা সন্তান জন্মের সাথে সাথে পরিবারের সদস্যরা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনায় পড়ে যান। কন্যা সন্তানের সাথে নানা ধরনের আচরণে তাদের এ দুর্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এজন্যই দেখা যায়, পুত্র সন্তানের শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও পরিবারের খরচ কমাতে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হয় । শ্রম বাজারে নারীর ও পুরুষের শ্রম মূল্যে ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, জেন্ডার গত কারণে গার্মেন্টস সেক্টরে একজন নারী কর্মী পুরুষের চেয়ে কম বেতন পান।
উদ্দীপকের রহিমা ও তার স্বামী একই ধরনের কাজ করলেও সে তার স্বামীর থেকে কম মজুরি পান। নারী হওয়ার কারণেই রহিমা এরুপ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্য ফুটে উঠেছে।
সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্য নির্দেশিত হয়েছে।