উদ্দীপকের জহির মিয়ার দাবি করা বিষয়টি যৌতুক নামক সামাজিক সমস্যা।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে যৌতুক অন্যতম সামাজিক সমস্যা। যৌতুক হলো এক ধরনের দাবি। সামাজিকভাবে এ প্রথাকে উপহার, উপঢৌকন, নজরানা প্রদান, শুভেচ্ছার প্রতীক বা নিদর্শন বলা হয়ে থাকে। সাধারণত পাত্র বা পাত্রীপক্ষ কর্তৃক পাত্রীকে বা পাত্রকে প্রদেয় অর্থসম্পত্তি বা অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীকে যৌতুক বলা হয় । অন্য ভাষায় যৌতুক হলো মেয়ের বাবা-মা কর্তৃক পাত্রপক্ষকে অর্থ বা কোনো মূল্যবান জামানতকে বোঝানো হয়। মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরীয়া) মোতাবেক প্রদেয় দেনমোহর বা মোহরানা এর অন্তর্ভুক্ত। যৌতুক উভয়পক্ষকে প্রদানের রীতি চালু থাকলেও সাধারণত বাংলাদেশ সমাজে যৌতুক পাত্রীপক্ষ, পাত্রপক্ষ বা পাত্রকে প্রদান করে থাকে। এ যৌতুকের হার স্থান, কাল ও পাত্রভেদে পরিবর্তিত বা নির্ধারিত হয়ে থাকে। যৌতুকের দ্রব্যাদির মধ্যে নগদ অর্থ থেকে শুরু করে গহনা, টিভি, ফ্রিজ, ঘড়ি, সাইকেল, বাড়ি, গাড়ি, আসবাবপত্র, মোটর সাইকেল, বিদেশে যাবার অর্থ, চাকরি, মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ ইত্যাদির দাবি করা হয় ।
উদ্দীপকের জহির মিয়া যেহেতু মালেক মিয়ার নিকট থেকে দাবি অনুযায়ী দুই লক্ষ টাকা, টিভি, ফ্রিজ ও আসবাবপত্র নেয়। সেহেতু তা নিঃসন্দেহে যৌতুক বলা যায় !