গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে বেসরকারি সংস্থা নানাভাবে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি
যেকোনো সমাজেই পুরুষের পাশাপাশি নারীর অবস্থান বা নানা বিষয়ে নারীর অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সামাজিক ক্ষেত্রে পূর্বে লক্ষ করা যেত নারীরা শুধু ঘরের কাজেই অংশগ্রহণ করত এবং তাদের কোনো একক ক্ষমতা ছিল না। কিন্তু দেশের নারী সমাজকে সচেতন করার পাশাপাশি তাদেরকে নানাভাবে কর্মের উপযোগী করে তুলেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ নারী সমাজের উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে। হতদরিদ্র সহায়সম্বলহীন ও অশিক্ষিত নারীদের নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। যেমন— সেলাই, বাটিক-বুটিক, গাভী ও হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, কুটির শিল্প, মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প প্রভৃতি। সহজ শর্তে আবার এসব সংস্থা প্রশিক্ষিত নারীদেরকে ঋণও প্রদান করছে যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে। বেসরকারি সংস্থাসমূহ নারী সমাজের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিশু পরিচর্যার ওপর নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত করে।
সর্বোপরি বেসরকারি সংস্থাসমূহ গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে নানাভাবে সহায়তা প্রদান করে থাকে ।