গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত কার্যাবলির ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত কার্যাবলি অর্থাৎ ক্ষুদ্রঋণ ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষুদ্রঋণ হলো জামানতবিহীন ছোট অঙ্কের ঋণ, যা দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করার জন্য দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে এই ঋণগ্রহীতাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়, যাতে তারা তাদের ব্যবসায় সফলভাবে পরিচালনা করতে পারে। এ দুটি কার্যক্রম একসাথে গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের ঘটনায় দেখা যায়, গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী ঋণ ও প্রশিক্ষণ নিয়ে "ক্ষুদ্র কুটিরশিল্প গড়ে তুলেছেন।" এই ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পগুলো তাদের আয়ের উৎস তৈরি করেছে, যা তাদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছে। এই কার্যক্রমের ফলে গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে, খাদ্য ও পুষ্টির সংস্থান হয়েছে এবং তারা নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে। ক্ষুদ্রঋণ ও প্রশিক্ষণ কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নই ঘটায় না, বরং গ্রামীণ সমাজে গভীর সামাজিক পরিবর্তনও নিয়ে আসে। এই ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন হয়, কারণ অনেক ক্ষেত্রে তারাই ঋণের প্রধান গ্রহীতা এবং ব্যবসার পরিচালক। এতে পরিবারে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সমাজে তাদের মর্যাদা বাড়ে। এছাড়াও এ কার্যক্রমগুলো দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে, যা তাদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দূর করে। অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত কার্যাবলি গ্রামীণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত কার্যাবলির ভূমিকা মূল্য…
উদ্দীপক
Dhaka · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর